ঢাকা ১২:১৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১২ জুলাই ২০২৬, ২৭ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
মোরেলগঞ্জে উপজেলা স্বাস্থ্য  ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তার মতবিনিময়।  পাহাড়ি ঢলে ফের ডুবলো ফারুয়ার ২০ গ্রাম : স্রোতের কারণে পৌঁছানো সম্ভব হচ্ছে না ত্রাণ। টানা বৃষ্টিতে বিপর্যস্ত বাগেরহাট, ভোগান্তিতে বাসিন্দারা রামপালে অপরিকল্পিত ব্রয়লার মুরগির খামারে পরিবেশ দূষণ, স্বাস্থ্যঝুঁকিতে সাধারণ মানুষ টানা বৃষ্টিতে জনজীবন বিপর্যস্ত, দুর্ভোগে নগরবাসী টানা ভারী বর্ষণে ফারুয়া ইউনিয়ন প্লাবিত কাউনিয়া কৃষি কর্মকর্তা ক্ষতি-গ্রস্ত তিস্তা পাড় পরিশর্দন টানা বৃষ্টি ও পাহাড়ী ঢল,তাহিরপুরের নদ নদী ও হাওরের বাড়ছে পানি জলঢাকায় খরিপ-২ মৌসুমে কৃষি প্রণোদনা ও চারা বিতরণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত জলঢাকায় ব্র্যাক অফিসের সামনে জলাবদ্ধতা চরম দুর্ভোগে এলাকাবাসী ও পথচারী

পাহাড়ি ঢলে ফের ডুবলো ফারুয়ার ২০ গ্রাম : স্রোতের কারণে পৌঁছানো সম্ভব হচ্ছে না ত্রাণ।

চিরন বিকাশ দেওয়ান,রাঙ্গামাটি জেলা প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : ১২:৩৯:২৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ১১ জুলাই ২০২৬ ২২ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

চিরন বিকাশ দেওয়ান,রাঙ্গামাটি জেলা প্রতিনিধি

রাঙ্গামাটির বিলাইছড়ির  টানা  ভারী বর্ষণের ফারুয়া  ইউনিয়নে ফের ডুবে গেলো প্রায় ২০টি গ্রাম।টানা ৮ দিন ধরে বৃষ্টিপাতে ৭ তারিখে একবার গ্রামগুলো প্লাবিত হয়ে ডুবে গেলেও এতটুকু উপরে  উঠেনি পানি। কিন্তু গত রাতে হঠাৎ  মুষলধারে বৃষ্টিপাত হওয়ায় ভয়াবহ রুপ ধারণ করেছে বানের পানি। ডুবে গেছে  ফারুয়া ইউনিয়নে বাজার সহ প্রায়  এলাকা। আতঙ্কে রয়েছেন এলাকা বাসী। ভয়ে  মালামাল সামলাতে রাত জেগে এলাকা বাসী নির্ঘুম কাটিয়েছেন বলে জানান ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান বিদ্যালাল তঞ্চঙ্গ্যা। এছাড়াও বাজার পরিচালনা কমিটির সভাপতি হারুন জানান, গতবারে প্লাবিত হয়েছে সবেমাত্র শতাধিক দোকান, আজরাতে বেশি বৃষ্টিপাত হওয়ায় পুরো বাজার একেবারে ডুবে গেছে। তাই প্রতিবছর বন্যা বা পাহাড়ি ঢলে  বাজারটি ডুবে তলিয়ে যায়। যা  কোটি কোটি টাকা ক্ষতি হয়।বাজার টা স্থানান্তরিত করার জন্য আমি সরকারের সুদৃষ্টি কামনা করছি।ফারুয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক অরুণ তঞ্চঙ্গ্যা জানান,ভয়াবহ পাহাড়ি ঢলে বিদ্যালয়ের নীচতলা ডুবে রয়েছে। পাঠদানে চরম অসুবিধা  হচ্ছে। ইউনিয়ন বিএনপি সাধারণ সম্পাদক খুশি বাবু তঞ্চঙ্গ্যা জানান,আমারা ইউনিয়ন বিএনপি বন্যা দুর্গতদের সবসময় পাশে রয়েছি এবং কাজ করে যাচ্ছি। অন্য এলাকা গুলো হলো – তক্তানালা, ওড়াছড়ি, যমুনা ছড়ি,যামু ছড়া, শুক্কর ছড়ি, চাইন্দা, আলেচং, রোয়াপড়া ছড়া, এগুজ্যা ছড়ি, ঝাংবিল, ফারুয়া বাজার, উলুছড়ি, তাড়াছড়ি, চাইন্দা পাড়া, গোয়াইন ছড়ি পাড়া, রোয়াপাড়া ছড়া,আকাটা ছড়া, ফঁ ছড়া,চংড়াছড়ি  সহ বেশকিছু এলাকা। উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. জাকির হোসেন জানান,তীব্র স্রোতের কারণে ত্রাণ পৌঁছানো সম্ভব হচ্ছে না, স্রোত কমানোর সাথে সাথে পৌঁছানোর হবে। তাছাড়া রাজাস্থলী – বিলাই ছড়ি সীমান্ত সড়ক উদয় চর এলাকায় ধসে  পড়েছে। বড় ধরনের যানবাহন চলাচল করছে না। ইউনিয়ন পরিষদকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আশ্রয় কেন্দ্র অবস্থান নেওয়া দুর্গতদের ব্যবস্থা গ্রহণ করার জন্য। তাদের পাশে থাকার জন্য। ক্ষতিগ্রস্থদের পাশে দাড়াতে সরকারের পাশাপাশি – বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা, দাতা গোষ্ঠী ও বিত্তবানদের এগিয়ে আসার জরুরী প্রয়োজন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

পাহাড়ি ঢলে ফের ডুবলো ফারুয়ার ২০ গ্রাম : স্রোতের কারণে পৌঁছানো সম্ভব হচ্ছে না ত্রাণ।

আপডেট সময় : ১২:৩৯:২৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ১১ জুলাই ২০২৬

চিরন বিকাশ দেওয়ান,রাঙ্গামাটি জেলা প্রতিনিধি

রাঙ্গামাটির বিলাইছড়ির  টানা  ভারী বর্ষণের ফারুয়া  ইউনিয়নে ফের ডুবে গেলো প্রায় ২০টি গ্রাম।টানা ৮ দিন ধরে বৃষ্টিপাতে ৭ তারিখে একবার গ্রামগুলো প্লাবিত হয়ে ডুবে গেলেও এতটুকু উপরে  উঠেনি পানি। কিন্তু গত রাতে হঠাৎ  মুষলধারে বৃষ্টিপাত হওয়ায় ভয়াবহ রুপ ধারণ করেছে বানের পানি। ডুবে গেছে  ফারুয়া ইউনিয়নে বাজার সহ প্রায়  এলাকা। আতঙ্কে রয়েছেন এলাকা বাসী। ভয়ে  মালামাল সামলাতে রাত জেগে এলাকা বাসী নির্ঘুম কাটিয়েছেন বলে জানান ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান বিদ্যালাল তঞ্চঙ্গ্যা। এছাড়াও বাজার পরিচালনা কমিটির সভাপতি হারুন জানান, গতবারে প্লাবিত হয়েছে সবেমাত্র শতাধিক দোকান, আজরাতে বেশি বৃষ্টিপাত হওয়ায় পুরো বাজার একেবারে ডুবে গেছে। তাই প্রতিবছর বন্যা বা পাহাড়ি ঢলে  বাজারটি ডুবে তলিয়ে যায়। যা  কোটি কোটি টাকা ক্ষতি হয়।বাজার টা স্থানান্তরিত করার জন্য আমি সরকারের সুদৃষ্টি কামনা করছি।ফারুয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক অরুণ তঞ্চঙ্গ্যা জানান,ভয়াবহ পাহাড়ি ঢলে বিদ্যালয়ের নীচতলা ডুবে রয়েছে। পাঠদানে চরম অসুবিধা  হচ্ছে। ইউনিয়ন বিএনপি সাধারণ সম্পাদক খুশি বাবু তঞ্চঙ্গ্যা জানান,আমারা ইউনিয়ন বিএনপি বন্যা দুর্গতদের সবসময় পাশে রয়েছি এবং কাজ করে যাচ্ছি। অন্য এলাকা গুলো হলো – তক্তানালা, ওড়াছড়ি, যমুনা ছড়ি,যামু ছড়া, শুক্কর ছড়ি, চাইন্দা, আলেচং, রোয়াপড়া ছড়া, এগুজ্যা ছড়ি, ঝাংবিল, ফারুয়া বাজার, উলুছড়ি, তাড়াছড়ি, চাইন্দা পাড়া, গোয়াইন ছড়ি পাড়া, রোয়াপাড়া ছড়া,আকাটা ছড়া, ফঁ ছড়া,চংড়াছড়ি  সহ বেশকিছু এলাকা। উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. জাকির হোসেন জানান,তীব্র স্রোতের কারণে ত্রাণ পৌঁছানো সম্ভব হচ্ছে না, স্রোত কমানোর সাথে সাথে পৌঁছানোর হবে। তাছাড়া রাজাস্থলী – বিলাই ছড়ি সীমান্ত সড়ক উদয় চর এলাকায় ধসে  পড়েছে। বড় ধরনের যানবাহন চলাচল করছে না। ইউনিয়ন পরিষদকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আশ্রয় কেন্দ্র অবস্থান নেওয়া দুর্গতদের ব্যবস্থা গ্রহণ করার জন্য। তাদের পাশে থাকার জন্য। ক্ষতিগ্রস্থদের পাশে দাড়াতে সরকারের পাশাপাশি – বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা, দাতা গোষ্ঠী ও বিত্তবানদের এগিয়ে আসার জরুরী প্রয়োজন।