ঢাকা ০২:০৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬, ১৫ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
সরকার গঠনের ৫ মাসেও পার্বত্য চুক্তি বাস্তবায়নে অগ্রগতি নেই: মতবিনিময় সভায় ক্ষোভ। NEWS24 টেলিভিশন ১১ বছরে পদার্পণ উপলক্ষে রাজবাড়ীর পাংশায় বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠান। রাজস্থলী উপজেলা প্রশাসনের  মাসিক আইন-শৃঙ্খলা সভা  অনুষ্ঠিত। বাগেরহাট জেলা পরিষদের প্রশাসক ব্যারিস্টার শেখ মোঃ জাকির হোসেন অসুস্থ চাকমা গানের সংগীত শিল্পী আশীষ কুমার দেওয়ান,‘স্ববন পারত ফুল ফুদেবং’–এর গীতিকার ও সুরকার বাবু দেওয়ান আর আমাদের মাঝে নেই। রাজবাড়ীর পাংশায় গড়াই নদীর ভাঙ্গন এলাকা পরিদর্শনে উপজেলা প্রশাসন ও পানি উন্নয়ন বোর্ড বিলাইছড়িতে পাহাড়ি ঢলে মৃত্যুবরণকারী পরিবারের মাঝে  নগদ অর্থ সহায়তা প্রদান কিশোরগঞ্জে  মাদকবিরোধী মানববন্ধন অনুষ্ঠিত কিশোরগঞ্জ ডায়াবেটিক সমিতি দ্বি-বার্ষিক নির্বাচন ২০২৬ সম্পন্ন  ফারুয়া ইউনিয়নে হেডম্যান  রিনলম বম পালম এর নেতৃত্বে ২০০ পরিবারের মাঝে  এান বিতরণ

ভূয়া দলিলে জমি খারিজ,সহকারী শিক্ষকের বিরুদ্ধে প্রতারণার অভিযোগ, তদন্তে অনিয়ম পেলে ব্যবস্থা: ভূমি কর্মকর্তা-

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট সময় : ০২:১০:০৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ১১ মে ২০২৬ ৩৪ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

কুড়িগ্রামের উলিপুর উপজেলায় নাওড়া এলাকায় ভূয়া ও জাল কাগজপত্রের মাধ্যমে অন্যের ক্রয়কৃত জমি নিজের নামে নামজারী (খারিজ) করার অভিযোগ উঠেছে এক সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষকের বিরুদ্ধে। ঘটনাটি এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে।অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, উপজেলার নাওড়া মৌজার খারিজ খতিয়ান নং-১৫৯৫, দাগ নং-৯৮৩ এর ১০ শতক জমি নিয়ে এ বিরোধের সৃষ্টি হয়েছে।ভুক্তভোগী কহিনুর বেগম উপজেলার ধামশ্রেণী এলাকার মৃত মোন্তাজ আলীর মেয়ে।অপরদিকে অভিযুক্ত শহিদুল ইসলাম একই এলাকার মৃত আব্দুল করিম মিয়ার ছেলে এবং মজারটারী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক।ভুক্তভোগী কহিনুর বেগম জানান, তিনি ১৫ ডিসেম্বর ২০০৮ ইং তারিখে ৫৩৮০ নং দলিল এবং পরবর্তীতে ১৭ অক্টোবর ২০২১ ইং তারিখে ৮৬৫০ নং দলিল মূলে জমিটি বৈধভাবে ক্রয় করেন। জমি ক্রয়ের পর থেকে দীর্ঘদিন ধরে শান্তিপূর্ণভাবে ভোগদখল করে আছি।তিনি আরও অভিযোগ করে বলেন,“আমি বৈধভাবে জমি ক্রয় করে দীর্ঘদিন ধরে ভোগদখলে আছি। কিন্তু শহিদুল ইসলাম ভূয়া জাল কাগজপত্র তৈরি করে আমার জমি নিজের নামে নামজারী করিয়ে নিয়েছেন। আমি প্রশাসনের কাছে সুষ্ঠু তদন্ত ও ন্যায়বিচার দাবি করছি।”অভিযোগে আরও উল্লেখ করা হয়, শহিদুল ইসলাম ১২/২০০৫ নং দলিল ও ০২ এপ্রিল ২০১৯ তারিখের কাগজপত্র দেখিয়ে গত ০১ আগস্ট ২০২৩ ইং তারিখে জমিটি নিজের নামে নামজারী করেন।এ বিষয়ে ভুক্তভোগী কহিনুর বেগম গত ১০ মে ২০২৬ ইং তারিখে সহকারী কমিশনার (ভূমি), উলিপুর, কুড়িগ্রাম বরাবর নামজারী মামলা নং-২৫১/২০২৩-২৪ বাতিলের আবেদন দাখিল করেছেন।এদিকে বিষয়টি নিয়ে স্থানীয়দের মাঝে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে।স্থানীয় বাসিন্দা তোজাম্মেল হক বলেন,“জমি সংক্রান্ত জালিয়াতি এখন গ্রামাঞ্চলে বড় সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে। প্রশাসন নিরপেক্ষ তদন্ত করলে প্রকৃত সত্য বেরিয়ে আসবে।”এ বিষয়ে ধামশ্রেণী ইউনিয়ন ভূমি কর্মকর্তা আইয়ুব আলী জানান,“ভুক্তভোগী ওই নারী নামজারী (খারিজ) বাতিলের একটি আবেদন জমা দিয়েছেন,প্রয়োজনীয় কাগজপত্র যাচাই-বাছাই করে তদন্ত করা হবে। তদন্তে কোনো ধরনের জালিয়াতি বা অনিয়মের প্রমাণ পাওয়া গেলে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”তবে অভিযুক্ত শহিদুল ইসলামের বক্তব্য নেওয়ার জন্য একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি।স্থানীয় সচেতন মহল বলছে, একজন শিক্ষকের বিরুদ্ধে এমন অভিযোগ অত্যন্ত দুঃখজনক। তারা দ্রুত তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত সত্য উদঘাটন এবং দোষীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ভূয়া দলিলে জমি খারিজ,সহকারী শিক্ষকের বিরুদ্ধে প্রতারণার অভিযোগ, তদন্তে অনিয়ম পেলে ব্যবস্থা: ভূমি কর্মকর্তা-

আপডেট সময় : ০২:১০:০৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ১১ মে ২০২৬

কুড়িগ্রামের উলিপুর উপজেলায় নাওড়া এলাকায় ভূয়া ও জাল কাগজপত্রের মাধ্যমে অন্যের ক্রয়কৃত জমি নিজের নামে নামজারী (খারিজ) করার অভিযোগ উঠেছে এক সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষকের বিরুদ্ধে। ঘটনাটি এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে।অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, উপজেলার নাওড়া মৌজার খারিজ খতিয়ান নং-১৫৯৫, দাগ নং-৯৮৩ এর ১০ শতক জমি নিয়ে এ বিরোধের সৃষ্টি হয়েছে।ভুক্তভোগী কহিনুর বেগম উপজেলার ধামশ্রেণী এলাকার মৃত মোন্তাজ আলীর মেয়ে।অপরদিকে অভিযুক্ত শহিদুল ইসলাম একই এলাকার মৃত আব্দুল করিম মিয়ার ছেলে এবং মজারটারী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক।ভুক্তভোগী কহিনুর বেগম জানান, তিনি ১৫ ডিসেম্বর ২০০৮ ইং তারিখে ৫৩৮০ নং দলিল এবং পরবর্তীতে ১৭ অক্টোবর ২০২১ ইং তারিখে ৮৬৫০ নং দলিল মূলে জমিটি বৈধভাবে ক্রয় করেন। জমি ক্রয়ের পর থেকে দীর্ঘদিন ধরে শান্তিপূর্ণভাবে ভোগদখল করে আছি।তিনি আরও অভিযোগ করে বলেন,“আমি বৈধভাবে জমি ক্রয় করে দীর্ঘদিন ধরে ভোগদখলে আছি। কিন্তু শহিদুল ইসলাম ভূয়া জাল কাগজপত্র তৈরি করে আমার জমি নিজের নামে নামজারী করিয়ে নিয়েছেন। আমি প্রশাসনের কাছে সুষ্ঠু তদন্ত ও ন্যায়বিচার দাবি করছি।”অভিযোগে আরও উল্লেখ করা হয়, শহিদুল ইসলাম ১২/২০০৫ নং দলিল ও ০২ এপ্রিল ২০১৯ তারিখের কাগজপত্র দেখিয়ে গত ০১ আগস্ট ২০২৩ ইং তারিখে জমিটি নিজের নামে নামজারী করেন।এ বিষয়ে ভুক্তভোগী কহিনুর বেগম গত ১০ মে ২০২৬ ইং তারিখে সহকারী কমিশনার (ভূমি), উলিপুর, কুড়িগ্রাম বরাবর নামজারী মামলা নং-২৫১/২০২৩-২৪ বাতিলের আবেদন দাখিল করেছেন।এদিকে বিষয়টি নিয়ে স্থানীয়দের মাঝে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে।স্থানীয় বাসিন্দা তোজাম্মেল হক বলেন,“জমি সংক্রান্ত জালিয়াতি এখন গ্রামাঞ্চলে বড় সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে। প্রশাসন নিরপেক্ষ তদন্ত করলে প্রকৃত সত্য বেরিয়ে আসবে।”এ বিষয়ে ধামশ্রেণী ইউনিয়ন ভূমি কর্মকর্তা আইয়ুব আলী জানান,“ভুক্তভোগী ওই নারী নামজারী (খারিজ) বাতিলের একটি আবেদন জমা দিয়েছেন,প্রয়োজনীয় কাগজপত্র যাচাই-বাছাই করে তদন্ত করা হবে। তদন্তে কোনো ধরনের জালিয়াতি বা অনিয়মের প্রমাণ পাওয়া গেলে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”তবে অভিযুক্ত শহিদুল ইসলামের বক্তব্য নেওয়ার জন্য একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি।স্থানীয় সচেতন মহল বলছে, একজন শিক্ষকের বিরুদ্ধে এমন অভিযোগ অত্যন্ত দুঃখজনক। তারা দ্রুত তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত সত্য উদঘাটন এবং দোষীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।