ঢাকা ০৯:৫৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০২৬, ১৬ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
কিশোরগঞ্জ ডায়াবেটিক সমিতির নবাগত কমিটির  শপথ গ্রহন সম্পন্ন।  সরকার গঠনের ৫ মাসেও পার্বত্য চুক্তি বাস্তবায়নে অগ্রগতি নেই: মতবিনিময় সভায় ক্ষোভ। NEWS24 টেলিভিশন ১১ বছরে পদার্পণ উপলক্ষে রাজবাড়ীর পাংশায় বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠান। রাজস্থলী উপজেলা প্রশাসনের  মাসিক আইন-শৃঙ্খলা সভা  অনুষ্ঠিত। বাগেরহাট জেলা পরিষদের প্রশাসক ব্যারিস্টার শেখ মোঃ জাকির হোসেন অসুস্থ চাকমা গানের সংগীত শিল্পী আশীষ কুমার দেওয়ান,‘স্ববন পারত ফুল ফুদেবং’–এর গীতিকার ও সুরকার বাবু দেওয়ান আর আমাদের মাঝে নেই। রাজবাড়ীর পাংশায় গড়াই নদীর ভাঙ্গন এলাকা পরিদর্শনে উপজেলা প্রশাসন ও পানি উন্নয়ন বোর্ড বিলাইছড়িতে পাহাড়ি ঢলে মৃত্যুবরণকারী পরিবারের মাঝে  নগদ অর্থ সহায়তা প্রদান কিশোরগঞ্জে  মাদকবিরোধী মানববন্ধন অনুষ্ঠিত কিশোরগঞ্জ ডায়াবেটিক সমিতি দ্বি-বার্ষিক নির্বাচন ২০২৬ সম্পন্ন 

জলঢাকায় সড়কে তীব্র যানজটে ভোগান্তি সাধারণ মানুষের

মোঃ নুরুজ্জামান নীলফামারী
  • আপডেট সময় : ০১:৩৬:৩৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৯ জুন ২০২৬ ১০৯ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

মোঃনুরুজ্জামান, নীলফামারীপ্রতিনিধি

 

নীলফামারীর জলঢাকা পৌর শহর যেন এক অপরিকল্পিত ও অবরুদ্ধ নগরীতে পরিণত হয়েছে। প্রতিদিনের চেনা দৃশ্য এখন একটাই তীব্র যানজট আর সাধারণ মানুষের সীমাহীন ভোগান্তি।
​সড়কের মাঝেই বাস স্ট্যান্ড!
​সরেজমিনে দেখা যায়, জলঢাকা বাস স্ট্যান্ডে নির্ধারিত স্টপেজ থাকার পরও চালকরা নিয়মের তোয়াক্কা করছেন না। মূল রাস্তার ওপর আড়াআড়িভাবে প্রথম বাসটি দাঁড়িয়ে যাত্রী তুলছে। তার ঠিক পেছনে অর্ধেক রাস্তা আটকে দাঁড়িয়ে গেছে দ্বিতীয় বাসটি। এর দেখাদেখি আরও কয়েকটি বাস পুরো রাস্তাটিকেই ব্লক করে দিচ্ছে। ফলে জলঢাকা বাস স্ট্যান্ড থেকে জিরো পয়েন্ট এবং ডালিয়া রোড পর্যন্ত পুরো এলাকা স্থবির হয়ে পড়ছে।
​ভোগান্তির নেপথ্যে অপরিকল্পিত পার্কিং
​শুধু দূরপাল্লার বাসই নয়, শহরজুড়ে চলছে থ্রি-হুইলার ও ভারী যানবাহনের দাপট। প্রধান সড়কগুলোর মাঝখানেই রিকশা, অটো ভ্যান ও ইজিবাইক থামিয়ে যাত্রী তোলা হচ্ছে। যেখানে-সেখানে ট্রাক পার্কিংয়ের কারণে সড়কগুলো আরও সংকুচিত হয়ে পড়েছে। কোনো শৃঙ্খলা না থাকায় পুরো পৌর শহরই এখন যানজটের নগরী।
​আটকা পড়ছে অ্যাম্বুলেন্সও
​সবচেয়ে বড় ট্র্যাজেডি হলো, পেছনে আটকে থাকা সাধারণ মানুষ বুঝতেই পারেন না ঠিক কী কারণে তারা জ্যামে বসে আছেন। ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, এই কৃত্রিম জ্যামে প্রতিদিন আটকা পড়ছে জরুরি মুমূর্ষু রোগী বহনকারী অ্যাম্বুলেন্স। পেছনের গাড়িতে কারও জরুরি পরীক্ষা, চাকরির ইন্টারভিউ কিংবা জীবনের বড় কোনো তাড়া থাকতে পারে—সেদিকে চালকদের কোনো ভ্রুক্ষেপ নেই। অ্যাম্বুলেন্স এলেও কেউ রাস্তা ছেড়ে দেওয়ার ন্যূনতম মানবিকতা দেখাচ্ছে না।
​সুশাসনের অভাব ও দাবি
​এটি কোনো এক বা দুই দিনের ঘটনা নয়, জলঢাকাবাসীর নিত্যদিনের নিয়তি। স্থানীয় সচেতন মহলের দাবি, পৌর শহরকে বাঁচাতে হলে এখনই কঠোর ট্রাফিক আইন প্রয়োগ করতে হবে। যত্রতত্র বাস ও অটো পার্কিং বন্ধ করে চালকদের শাস্তির আওতায় না আনলে এই ভোগান্তি থেকে সাধারণ মানুষের মুক্তি নেই।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

জলঢাকায় সড়কে তীব্র যানজটে ভোগান্তি সাধারণ মানুষের

আপডেট সময় : ০১:৩৬:৩৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৯ জুন ২০২৬

মোঃনুরুজ্জামান, নীলফামারীপ্রতিনিধি

 

নীলফামারীর জলঢাকা পৌর শহর যেন এক অপরিকল্পিত ও অবরুদ্ধ নগরীতে পরিণত হয়েছে। প্রতিদিনের চেনা দৃশ্য এখন একটাই তীব্র যানজট আর সাধারণ মানুষের সীমাহীন ভোগান্তি।
​সড়কের মাঝেই বাস স্ট্যান্ড!
​সরেজমিনে দেখা যায়, জলঢাকা বাস স্ট্যান্ডে নির্ধারিত স্টপেজ থাকার পরও চালকরা নিয়মের তোয়াক্কা করছেন না। মূল রাস্তার ওপর আড়াআড়িভাবে প্রথম বাসটি দাঁড়িয়ে যাত্রী তুলছে। তার ঠিক পেছনে অর্ধেক রাস্তা আটকে দাঁড়িয়ে গেছে দ্বিতীয় বাসটি। এর দেখাদেখি আরও কয়েকটি বাস পুরো রাস্তাটিকেই ব্লক করে দিচ্ছে। ফলে জলঢাকা বাস স্ট্যান্ড থেকে জিরো পয়েন্ট এবং ডালিয়া রোড পর্যন্ত পুরো এলাকা স্থবির হয়ে পড়ছে।
​ভোগান্তির নেপথ্যে অপরিকল্পিত পার্কিং
​শুধু দূরপাল্লার বাসই নয়, শহরজুড়ে চলছে থ্রি-হুইলার ও ভারী যানবাহনের দাপট। প্রধান সড়কগুলোর মাঝখানেই রিকশা, অটো ভ্যান ও ইজিবাইক থামিয়ে যাত্রী তোলা হচ্ছে। যেখানে-সেখানে ট্রাক পার্কিংয়ের কারণে সড়কগুলো আরও সংকুচিত হয়ে পড়েছে। কোনো শৃঙ্খলা না থাকায় পুরো পৌর শহরই এখন যানজটের নগরী।
​আটকা পড়ছে অ্যাম্বুলেন্সও
​সবচেয়ে বড় ট্র্যাজেডি হলো, পেছনে আটকে থাকা সাধারণ মানুষ বুঝতেই পারেন না ঠিক কী কারণে তারা জ্যামে বসে আছেন। ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, এই কৃত্রিম জ্যামে প্রতিদিন আটকা পড়ছে জরুরি মুমূর্ষু রোগী বহনকারী অ্যাম্বুলেন্স। পেছনের গাড়িতে কারও জরুরি পরীক্ষা, চাকরির ইন্টারভিউ কিংবা জীবনের বড় কোনো তাড়া থাকতে পারে—সেদিকে চালকদের কোনো ভ্রুক্ষেপ নেই। অ্যাম্বুলেন্স এলেও কেউ রাস্তা ছেড়ে দেওয়ার ন্যূনতম মানবিকতা দেখাচ্ছে না।
​সুশাসনের অভাব ও দাবি
​এটি কোনো এক বা দুই দিনের ঘটনা নয়, জলঢাকাবাসীর নিত্যদিনের নিয়তি। স্থানীয় সচেতন মহলের দাবি, পৌর শহরকে বাঁচাতে হলে এখনই কঠোর ট্রাফিক আইন প্রয়োগ করতে হবে। যত্রতত্র বাস ও অটো পার্কিং বন্ধ করে চালকদের শাস্তির আওতায় না আনলে এই ভোগান্তি থেকে সাধারণ মানুষের মুক্তি নেই।