চোর আতঙ্কে খোকসাবাসী চুরি তো কম-বেশি হতেই পারে-বললেন ওসি
- আপডেট সময় : ০১:৫১:১৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬ ৪৬ বার পড়া হয়েছে

স্টাফ রিপোর্টার
কুষ্টিয়ার খোকসা উপজেলায় সম্প্রতি চুরির ঘটনা উদ্বেগজনক হারে বৃদ্ধি পেয়েছে, যার ফলে স্থানীয় ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষের মধ্যে তীব্র চোর আতঙ্ক বিরাজ করছে।একের পর এক চুরির ঘটনা ঘটলেও অধিকাংশ ক্ষেত্রে মালামাল উদ্ধার না হওয়ায় স্থানীয় ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষ প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করছেন।গত বুধবার জানিপুর-কমলাপুর, মালিগ্রাম কেন্দ্রীয় ঈদগাহ ময়দান ও গোরস্থান অফিসের তালা কেটে দানবক্স থেকে নগদ অর্থ চুরির ঘটনা ঘটেছে বলে জানা যায়।এছাড়াও জানা গেছে, গত মঙ্গলবার দিবাগত গভীর রাতে উপজেলার রঘুনাথপুর গ্রামে শ্যামল বিশ্বাসের বাড়ি থেকে তিনটি গরু এবং পাইকপাড়া আকরাম হোসেন বাবুর গোয়াল ঘর থেকে একটি গরু চুরি করেছে দুর্বৃত্তরা।এর বেশ কিছুদিন আগে খোকসা অপর্ণা সিনেমা হল মার্কেটে এক রাতে ১০টি গার্মেন্টসের দোকানের শাটার বাঁকা করে প্রায় তিন লক্ষাধিক টাকা এবং মূল্যবান মালামাল লুটে নিয়েছে চোর চক্র। জানিপুর ইউনিয়নের নাগরপাড়া গ্রামে এক কৃষকের গোয়ালঘরের তালা ভেঙে দুটি দামি গাভী গরু চুরির ঘটনা ঘটেছে। শোমসপুর রেল স্টেশন সংলগ্ন গো-হাটের পাশে মল্লিক ট্রেডার্স নামের একটি সার-বীজের দোকানে দুর্ধর্ষ চুরির ঘটনা ঘটেছে।তবে মাদকাসক্তির ভয়াবহতা এবং এর সামাজিক কুপ্রভাবের কারণে অপরাধীরা নৈতিকতা ভুলে এই ধরণের অপরাধ ঘটাচ্ছে বলে ধারণা করছেন সচেতন মহল।চুরির বিষয়ে জানতে চাইলে খোকসা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা(ওসি) মোল্লা জাকির হোসেন বলেন, চুরি তো কম-বেশি হতেই পারে। বৃষ্টি বাদলের সময় চুরিটুরি, গরু চুরি, ঘর চুরি একটু বেশি হয়। আমরা দেখতেছি আরকি বিষয়টা।চুরির মালামাল উদ্ধার হয়েছে কিনা জানতে চাইলে ওসি মোল্লা জাকির হোসেন জানান, না।






















