জলঢাকায় আমন ধানের চারা রোপণে ব্যস্ত সময় পার করছে কৃষক
- আপডেট সময় : ০১:৩৯:৪৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১০ জুলাই ২০২৬ ১৩২ বার পড়া হয়েছে

মোঃনুরুজ্জামান নীলফামারী
তিস্তা নদীবিধৌত নীলফামারীর জলঢাকা উপজেলায় এখন চলছে আমন ধানের চারা রোপণের শেষ মুহূর্তের ধুম। আষাঢ়-শ্রাবণের ঝিরঝিরে বৃষ্টি আর অনুকূল আবহাওয়াকে কাজে লাগিয়ে উপজেলার মাঠগুলোতে এখন উৎসবমুখর পরিবেশ। কাকডাকা ভোর থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত গ্রামীণ জনপদের কৃষকেরা ব্যস্ত সময় পার করছেন জমি তৈরি, বীজতলা থেকে চারা তোলা আর তা মূল জমিতে রোপণের কাজে।মাঠে মাঠে কৃষকের ব্যস্ততা জলঢাকা উপজেলার গোলমুন্ডা, ডাউয়াবাড়ী, শৌলমারী, কৈমারীসহ বিভিন্ন ইউনিয়ন ঘুরে দেখা গেছে, মাঠের পর মাঠ জুড়ে চলছে চারা রোপণের কাজ। তিস্তার চরাঞ্চল থেকে শুরু করে সমতল ভূমির সবখানেই এখন সবুজ চারা আর কাদার গন্ধ।স্থানীয় কৃষকদের সাথে কথা বলে জানা যায়, চলতি মৌসুমে সময়মতো পর্যাপ্ত বৃষ্টিপাত হওয়ায় এবার সেচ খরচ অনেকটাই বেঁচে গেছে। ফলে জমিতে পানি ধরে রেখে দ্রুত চারা রোপণ শেষ করতে পারছেন তারা। চারা রোপণের এই শেষ সময়ে এসে দিনমজুরদের সংকট দেখা দিলেও, পরিবারের সবাই মিলে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ সম্পন্ন করছেন।লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের আশা ও সার-সংকট নিয়ে উদ্বেগউপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, চলতি মৌসুমে জলঢাকা উপজেলার ১১টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভায় লক্ষ্যমাত্রার চেয়েও বেশি জমিতে আমন চাষের প্রস্তুতি চলছে। কৃষকদের সময়মতো পরামর্শ ও তদারকি নিশ্চিত করতে মাঠ পর্যায়ে কাজ করছেন উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তারা।এবার আবহাওয়া ভালো থাকায় চারা রোপণ দ্রুত শেষ হচ্ছে। তবে শেষ সময়ে এসে ইউরিয়া ও ডিএপি সারের সরবরাহ যেন ঠিক থাকে, সেদিকে প্রশাসনের নজর রাখা দরকার। প্রাকৃতিক দুর্যোগ না হলে এবার আমনের বাম্পার ফলন হবে।”মজনু মিয়া, গোলমুন্ডা এলাকার কৃষক চাঙ্গা গ্রামীণ অর্থনীতি আমন চাষকে কেন্দ্র করে জলঢাকার গ্রামীণ অর্থনীতিতে এখন নতুন প্রাণের সঞ্চার হয়েছে। চারা কেনা-বেচার স্থানীয় হাটগুলোতে সকাল থেকেই ভিড় করছেন কৃষকেরা। কৃষি শ্রমিকদের দৈনিক মজুরি বাড়ায় শ্রমিক পরিবারগুলোর মুখেও ফুটেছে হাসি।সব মিলিয়ে, নীলফামারীর জলঢাকার কিষান-কিষানিরা এখন বুক ভরা আশা নিয়ে মাঠে সোনালী স্বপ্নের বীজ বুনছেন। সঠিক সময়ে চারা রোপণ শেষে এখন শুধু ভালো ফলন আর ন্যায্য মূল্যের প্রত্যাশা এই অঞ্চলের হাজারো কৃষকের।






















