ঢাকা ০১:৪৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬, ১৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
NEWS24 টেলিভিশন ১১ বছরে পদার্পণ উপলক্ষে রাজবাড়ীর পাংশায় বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠান। রাজস্থলী উপজেলা প্রশাসনের  মাসিক আইন-শৃঙ্খলা সভা  অনুষ্ঠিত। বাগেরহাট জেলা পরিষদের প্রশাসক ব্যারিস্টার শেখ মোঃ জাকির হোসেন অসুস্থ চাকমা গানের সংগীত শিল্পী আশীষ কুমার দেওয়ান,‘স্ববন পারত ফুল ফুদেবং’–এর গীতিকার ও সুরকার বাবু দেওয়ান আর আমাদের মাঝে নেই। রাজবাড়ীর পাংশায় গড়াই নদীর ভাঙ্গন এলাকা পরিদর্শনে উপজেলা প্রশাসন ও পানি উন্নয়ন বোর্ড বিলাইছড়িতে পাহাড়ি ঢলে মৃত্যুবরণকারী পরিবারের মাঝে  নগদ অর্থ সহায়তা প্রদান কিশোরগঞ্জে  মাদকবিরোধী মানববন্ধন অনুষ্ঠিত কিশোরগঞ্জ ডায়াবেটিক সমিতি দ্বি-বার্ষিক নির্বাচন ২০২৬ সম্পন্ন  ফারুয়া ইউনিয়নে হেডম্যান  রিনলম বম পালম এর নেতৃত্বে ২০০ পরিবারের মাঝে  এান বিতরণ গফরগাঁওয়ে কমরেড আজিম উদ্দীন মাস্টার এর স্মরণসভা অনুষ্ঠিত

জলঢাকায় আমন ধানের চারা রোপণে ব্যস্ত সময় পার করছে কৃষক

মোঃ নুরুজ্জামান নীলফামারী প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : ০১:৩৯:৪৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১০ জুলাই ২০২৬ ১৩২ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

মোঃনুরুজ্জামান নীলফামারী

তিস্তা নদীবিধৌত নীলফামারীর জলঢাকা উপজেলায় এখন চলছে আমন ধানের চারা রোপণের শেষ মুহূর্তের ধুম। আষাঢ়-শ্রাবণের ঝিরঝিরে বৃষ্টি আর অনুকূল আবহাওয়াকে কাজে লাগিয়ে উপজেলার মাঠগুলোতে এখন উৎসবমুখর পরিবেশ। কাকডাকা ভোর থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত গ্রামীণ জনপদের কৃষকেরা ব্যস্ত সময় পার করছেন জমি তৈরি, বীজতলা থেকে চারা তোলা আর তা মূল জমিতে রোপণের কাজে।মাঠে মাঠে কৃষকের ব্যস্ততা জলঢাকা উপজেলার গোলমুন্ডা, ডাউয়াবাড়ী, শৌলমারী, কৈমারীসহ বিভিন্ন ইউনিয়ন ঘুরে দেখা গেছে, মাঠের পর মাঠ জুড়ে চলছে চারা রোপণের কাজ। তিস্তার চরাঞ্চল থেকে শুরু করে সমতল ভূমির সবখানেই এখন সবুজ চারা আর কাদার গন্ধ।স্থানীয় কৃষকদের সাথে কথা বলে জানা যায়, চলতি মৌসুমে সময়মতো পর্যাপ্ত বৃষ্টিপাত হওয়ায় এবার সেচ খরচ অনেকটাই বেঁচে গেছে। ফলে জমিতে পানি ধরে রেখে দ্রুত চারা রোপণ শেষ করতে পারছেন তারা। চারা রোপণের এই শেষ সময়ে এসে দিনমজুরদের সংকট দেখা দিলেও, পরিবারের সবাই মিলে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ সম্পন্ন করছেন।লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের আশা ও সার-সংকট নিয়ে উদ্বেগউপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, চলতি মৌসুমে জলঢাকা উপজেলার ১১টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভায় লক্ষ্যমাত্রার চেয়েও বেশি জমিতে আমন চাষের প্রস্তুতি চলছে। কৃষকদের সময়মতো পরামর্শ ও তদারকি নিশ্চিত করতে মাঠ পর্যায়ে কাজ করছেন উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তারা।এবার আবহাওয়া ভালো থাকায় চারা রোপণ দ্রুত শেষ হচ্ছে। তবে শেষ সময়ে এসে ইউরিয়া ও ডিএপি সারের সরবরাহ যেন ঠিক থাকে, সেদিকে প্রশাসনের নজর রাখা দরকার। প্রাকৃতিক দুর্যোগ না হলে এবার আমনের বাম্পার ফলন হবে।”মজনু মিয়া, গোলমুন্ডা এলাকার কৃষক চাঙ্গা গ্রামীণ অর্থনীতি আমন চাষকে কেন্দ্র করে জলঢাকার গ্রামীণ অর্থনীতিতে এখন নতুন প্রাণের সঞ্চার হয়েছে। চারা কেনা-বেচার স্থানীয় হাটগুলোতে সকাল থেকেই ভিড় করছেন কৃষকেরা। কৃষি শ্রমিকদের দৈনিক মজুরি বাড়ায় শ্রমিক পরিবারগুলোর মুখেও ফুটেছে হাসি।সব মিলিয়ে, নীলফামারীর জলঢাকার কিষান-কিষানিরা এখন বুক ভরা আশা নিয়ে মাঠে সোনালী স্বপ্নের বীজ বুনছেন। সঠিক সময়ে চারা রোপণ শেষে এখন শুধু ভালো ফলন আর ন্যায্য মূল্যের প্রত্যাশা এই অঞ্চলের হাজারো কৃষকের।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

জলঢাকায় আমন ধানের চারা রোপণে ব্যস্ত সময় পার করছে কৃষক

আপডেট সময় : ০১:৩৯:৪৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১০ জুলাই ২০২৬

মোঃনুরুজ্জামান নীলফামারী

তিস্তা নদীবিধৌত নীলফামারীর জলঢাকা উপজেলায় এখন চলছে আমন ধানের চারা রোপণের শেষ মুহূর্তের ধুম। আষাঢ়-শ্রাবণের ঝিরঝিরে বৃষ্টি আর অনুকূল আবহাওয়াকে কাজে লাগিয়ে উপজেলার মাঠগুলোতে এখন উৎসবমুখর পরিবেশ। কাকডাকা ভোর থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত গ্রামীণ জনপদের কৃষকেরা ব্যস্ত সময় পার করছেন জমি তৈরি, বীজতলা থেকে চারা তোলা আর তা মূল জমিতে রোপণের কাজে।মাঠে মাঠে কৃষকের ব্যস্ততা জলঢাকা উপজেলার গোলমুন্ডা, ডাউয়াবাড়ী, শৌলমারী, কৈমারীসহ বিভিন্ন ইউনিয়ন ঘুরে দেখা গেছে, মাঠের পর মাঠ জুড়ে চলছে চারা রোপণের কাজ। তিস্তার চরাঞ্চল থেকে শুরু করে সমতল ভূমির সবখানেই এখন সবুজ চারা আর কাদার গন্ধ।স্থানীয় কৃষকদের সাথে কথা বলে জানা যায়, চলতি মৌসুমে সময়মতো পর্যাপ্ত বৃষ্টিপাত হওয়ায় এবার সেচ খরচ অনেকটাই বেঁচে গেছে। ফলে জমিতে পানি ধরে রেখে দ্রুত চারা রোপণ শেষ করতে পারছেন তারা। চারা রোপণের এই শেষ সময়ে এসে দিনমজুরদের সংকট দেখা দিলেও, পরিবারের সবাই মিলে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ সম্পন্ন করছেন।লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের আশা ও সার-সংকট নিয়ে উদ্বেগউপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, চলতি মৌসুমে জলঢাকা উপজেলার ১১টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভায় লক্ষ্যমাত্রার চেয়েও বেশি জমিতে আমন চাষের প্রস্তুতি চলছে। কৃষকদের সময়মতো পরামর্শ ও তদারকি নিশ্চিত করতে মাঠ পর্যায়ে কাজ করছেন উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তারা।এবার আবহাওয়া ভালো থাকায় চারা রোপণ দ্রুত শেষ হচ্ছে। তবে শেষ সময়ে এসে ইউরিয়া ও ডিএপি সারের সরবরাহ যেন ঠিক থাকে, সেদিকে প্রশাসনের নজর রাখা দরকার। প্রাকৃতিক দুর্যোগ না হলে এবার আমনের বাম্পার ফলন হবে।”মজনু মিয়া, গোলমুন্ডা এলাকার কৃষক চাঙ্গা গ্রামীণ অর্থনীতি আমন চাষকে কেন্দ্র করে জলঢাকার গ্রামীণ অর্থনীতিতে এখন নতুন প্রাণের সঞ্চার হয়েছে। চারা কেনা-বেচার স্থানীয় হাটগুলোতে সকাল থেকেই ভিড় করছেন কৃষকেরা। কৃষি শ্রমিকদের দৈনিক মজুরি বাড়ায় শ্রমিক পরিবারগুলোর মুখেও ফুটেছে হাসি।সব মিলিয়ে, নীলফামারীর জলঢাকার কিষান-কিষানিরা এখন বুক ভরা আশা নিয়ে মাঠে সোনালী স্বপ্নের বীজ বুনছেন। সঠিক সময়ে চারা রোপণ শেষে এখন শুধু ভালো ফলন আর ন্যায্য মূল্যের প্রত্যাশা এই অঞ্চলের হাজারো কৃষকের।