ঢাকা ০৫:৩৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬, ১৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
NEWS24 টেলিভিশন ১১ বছরে পদার্পণ উপলক্ষে রাজবাড়ীর পাংশায় বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠান। রাজস্থলী উপজেলা প্রশাসনের  মাসিক আইন-শৃঙ্খলা সভা  অনুষ্ঠিত। বাগেরহাট জেলা পরিষদের প্রশাসক ব্যারিস্টার শেখ মোঃ জাকির হোসেন অসুস্থ চাকমা গানের সংগীত শিল্পী আশীষ কুমার দেওয়ান,‘স্ববন পারত ফুল ফুদেবং’–এর গীতিকার ও সুরকার বাবু দেওয়ান আর আমাদের মাঝে নেই। রাজবাড়ীর পাংশায় গড়াই নদীর ভাঙ্গন এলাকা পরিদর্শনে উপজেলা প্রশাসন ও পানি উন্নয়ন বোর্ড বিলাইছড়িতে পাহাড়ি ঢলে মৃত্যুবরণকারী পরিবারের মাঝে  নগদ অর্থ সহায়তা প্রদান কিশোরগঞ্জে  মাদকবিরোধী মানববন্ধন অনুষ্ঠিত কিশোরগঞ্জ ডায়াবেটিক সমিতি দ্বি-বার্ষিক নির্বাচন ২০২৬ সম্পন্ন  ফারুয়া ইউনিয়নে হেডম্যান  রিনলম বম পালম এর নেতৃত্বে ২০০ পরিবারের মাঝে  এান বিতরণ গফরগাঁওয়ে কমরেড আজিম উদ্দীন মাস্টার এর স্মরণসভা অনুষ্ঠিত

পীরগাছায় প্রকাশ্যে অবৈধ বালু উত্তোলন,নদী-সেতু ঝুঁকিতে, প্রশাসনের নীরবতায় জনমনে প্রশ্ন

হাবিবুর রহমান হাবিব,পীরগাছা (রংপুর) প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : ১০:৫২:৫২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬ ২২ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

হাবিবুর রহমান হাবিব,পীরগাছা (রংপুর) প্রতিনিধি

রংপুরের পীরগাছা উপজেলায় ঘাঘট ও তিস্তা নদীর বিভিন্ন পয়েন্টে দীর্ঘদিন ধরে প্রকাশ্যে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের অভিযোগ উঠেছে। উপজেলার ঘাঘট নদীর তীরবর্তী সদর ইউনিয়নের লালদিঘীর পাড়, কান্দি ইউনিয়নের মাঝিপাড়া ব্রিজসংলগ্ন এলাকা এবং তিস্তা নদীর বিভিন্ন অংশে প্রভাবশালী একটি চক্র ড্রেজার মেশিন ব্যবহার করে দিনে ও রাতে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করছে।
স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, অবাধে বালু উত্তোলনের কারণে নদীর স্বাভাবিক প্রবাহ ব্যাহত হচ্ছে। এতে নদীভাঙনের ঝুঁকি বাড়ার পাশাপাশি মাঝিপাড়া ব্রিজসহ আশপাশের বিভিন্ন স্থাপনা ও কৃষিজমি হুমকির মুখে পড়ছে। পরিবেশেরও মারাত্মক ক্ষতি হচ্ছে বলে তারা আশঙ্কা প্রকাশ করেন।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক স্থানীয় ব্যক্তি জানান, দীর্ঘদিন ধরে প্রকাশ্যেই বালু উত্তোলন চললেও সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের দৃশ্যমান কোনো অভিযান বা কার্যকর ব্যবস্থা দেখা যাচ্ছে না। ফলে অবৈধ বালু উত্তোলনকারীরা আরও বেপরোয়া হয়ে উঠেছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, নদী রক্ষা ও পরিবেশ সংরক্ষণে দায়িত্বপ্রাপ্ত সংস্থাগুলোর কার্যকর নজরদারির অভাব এবং প্রশাসনের দীর্ঘ নীরবতায় সাধারণ মানুষের মধ্যে নানা প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে। তারা অবিলম্বে অবৈধ বালু উত্তোলন বন্ধে কঠোর অভিযান পরিচালনা এবং জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান।
এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) জায়িদ ইমরুল মোজাক্কিন বলেন “অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের কোনো সুযোগ নেই। এ ধরনের কার্যক্রমের বিরুদ্ধে প্রশাসনের নজরদারি অব্যাহত রয়েছে। বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।অবৈধভাবে বালু উত্তোলনে কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না।”
এদিকে সচেতন মহল মনে করছে, অবৈধ বালু উত্তোলন বন্ধে নিয়মিত ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা, কঠোর নজরদারি এবং জড়িতদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ না করলে ভবিষ্যতে নদীভাঙন, অবকাঠামোর ক্ষতি এবং পরিবেশগত বিপর্যয় আরও ভয়াবহ রূপ নিতে পারে। তাই নদী ও জনস্বার্থ রক্ষায় দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

পীরগাছায় প্রকাশ্যে অবৈধ বালু উত্তোলন,নদী-সেতু ঝুঁকিতে, প্রশাসনের নীরবতায় জনমনে প্রশ্ন

আপডেট সময় : ১০:৫২:৫২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬

হাবিবুর রহমান হাবিব,পীরগাছা (রংপুর) প্রতিনিধি

রংপুরের পীরগাছা উপজেলায় ঘাঘট ও তিস্তা নদীর বিভিন্ন পয়েন্টে দীর্ঘদিন ধরে প্রকাশ্যে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের অভিযোগ উঠেছে। উপজেলার ঘাঘট নদীর তীরবর্তী সদর ইউনিয়নের লালদিঘীর পাড়, কান্দি ইউনিয়নের মাঝিপাড়া ব্রিজসংলগ্ন এলাকা এবং তিস্তা নদীর বিভিন্ন অংশে প্রভাবশালী একটি চক্র ড্রেজার মেশিন ব্যবহার করে দিনে ও রাতে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করছে।
স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, অবাধে বালু উত্তোলনের কারণে নদীর স্বাভাবিক প্রবাহ ব্যাহত হচ্ছে। এতে নদীভাঙনের ঝুঁকি বাড়ার পাশাপাশি মাঝিপাড়া ব্রিজসহ আশপাশের বিভিন্ন স্থাপনা ও কৃষিজমি হুমকির মুখে পড়ছে। পরিবেশেরও মারাত্মক ক্ষতি হচ্ছে বলে তারা আশঙ্কা প্রকাশ করেন।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক স্থানীয় ব্যক্তি জানান, দীর্ঘদিন ধরে প্রকাশ্যেই বালু উত্তোলন চললেও সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের দৃশ্যমান কোনো অভিযান বা কার্যকর ব্যবস্থা দেখা যাচ্ছে না। ফলে অবৈধ বালু উত্তোলনকারীরা আরও বেপরোয়া হয়ে উঠেছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, নদী রক্ষা ও পরিবেশ সংরক্ষণে দায়িত্বপ্রাপ্ত সংস্থাগুলোর কার্যকর নজরদারির অভাব এবং প্রশাসনের দীর্ঘ নীরবতায় সাধারণ মানুষের মধ্যে নানা প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে। তারা অবিলম্বে অবৈধ বালু উত্তোলন বন্ধে কঠোর অভিযান পরিচালনা এবং জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান।
এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) জায়িদ ইমরুল মোজাক্কিন বলেন “অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের কোনো সুযোগ নেই। এ ধরনের কার্যক্রমের বিরুদ্ধে প্রশাসনের নজরদারি অব্যাহত রয়েছে। বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।অবৈধভাবে বালু উত্তোলনে কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না।”
এদিকে সচেতন মহল মনে করছে, অবৈধ বালু উত্তোলন বন্ধে নিয়মিত ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা, কঠোর নজরদারি এবং জড়িতদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ না করলে ভবিষ্যতে নদীভাঙন, অবকাঠামোর ক্ষতি এবং পরিবেশগত বিপর্যয় আরও ভয়াবহ রূপ নিতে পারে। তাই নদী ও জনস্বার্থ রক্ষায় দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।