ঢাকা ০৭:৩২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০১ জুন ২০২৬, ১৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
আমতলীতে ৬৯৯ পরিবারের মাঝে ইসলামিক রিলিফের কুরবানির মাংস বিতরণ জিয়াউর রহমানের কর্মময় জীবন নতুন প্রজন্মের জন্য অনুকরণীয় হয়ে থাকবে’ নান্দাইলে তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী জলঢাকায় শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাৎ বার্ষিকী পালিত আমতলীতে কুরবানির মাংস পেয়ে আনন্দে আত্মহারা বিউটি বেগম বিলাইছড়ি উপজেলায় ২ দিনের সফরে  চাকমা সার্কেল চীফ( রাজা) ব্যারিস্টার দেবাশীষ রায়  ৬৫ বছরের দ্বীনি খেদমতের ইতি-বিদায় নিলেন মাওলানা গিয়াউদ্দিন মন্ডল। শহীদ জিয়ার ৪৫তম শাহাদাত বার্ষিকীতে রামপালে গভীর নলকূপ উদ্বোধন করলেন প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম বিলাইছড়িতে  জিয়াউর রহমান এঁর ৪৫ তম শাহাদাৎ বার্ষিকী পালিত  আমতলীতে পচা চামড়ার দুর্গন্ধে নাকাল পৌর শহর, ক্ষোভে ফুঁসছেন বাসিন্দারা জিয়াউর রহমানের শাহাদাৎ বার্ষিকীতে রামপালে ২৯ মসজিদে খতমে কোরআন

বিলুপ্ত ইষ্ট ইন্ডিয়া কোম্পানিই আজকের ডিপ স্টেট সোসাইটি। জনগণকে শোষণ করা হচ্ছে ইচ্ছে মতো….অথই নূরুল আমিন

নিজস্ব প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : ১১:০৪:২৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৩ মে ২০২৬ ৮৯ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

নিজস্ব প্রতিনিধি

যদি বাংলাদেশের কথা বলতে যাই তাহলে বলতে হবে, শেখ মুজিব থেকে তারেক রহমান। স্বাধীন বাংলাদেশের সকল সরকারই ছিলো ডিপ স্টেট এজেন্ট ধারা নিয়ন্ত্রিত এবং পরিচালিত। তাই দেশের সার্বিক উন্নয়ন কোনভাবেই করা যাচ্ছে না। সিন্ডিকেট ভাঙ্গছে না। শিক্ষা সেবায়, স্বাস্থ্যসেবায় এবং আইন আদালত পাড়ায়, ঘুষ দিতে হচ্ছে জনগণকে নিয়মিত। একমাত্র ডিপ স্টেট এজেন্ট ধারায় আমাদের দেশের সরকার গুলো পরিচালিত হচ্ছে বিধায় এহেন ঘটনা ঘটছে যুগের পর যুগ।কথা থাকে যে, ডিপ স্টেট পরিচালিত সরকার শুধু বাংলাদেশে আছে আসলে এমনটি নয়। দেশের অসংখ্য দেশে এরকম কমিশন বাণিজ্যের সরকার রয়েছে। ঐ সরকার গুলোই মূলত ডিপ স্টেট ধারা পরিচালিত হয়। তাই দেশে সরকারি চাকরি বাণিজ্য চলে। সরকারি কর্মকর্তাদের ঘুষ বাণিজ্য চলে। বদলি বাণিজ্য চলে, প্রমোশন বাণিজ্য চলে। অনেক এমপি মন্ত্রী হতে গেলেও বতর্মানে কোটি কোটি টাকা ডিপ স্টেট এজেন্টকে দিতে হয়। যদিও অনেক বিষয় গোপনীয়। তাই আমাদের দেশে ধরীরা আরো ধনী হচ্ছে। গরিবেরা রয়ে যাচ্ছে গরিবই।কথা থাকে আমেরিকার ডোনাল্ড ট্রাম্প ও কিন্তু ডিপ স্টেট এজেন্টের তৈরি রাষ্ট্রপতি। এদিকে ভারতের নরেন্দ্র মোদি ও কিন্তু ডিপ স্টেট এজেন্টের প্রধানমন্ত্রী। ভারতের বিজেপি কিন্তু ডিপ স্টেট এজেন্ট এর আওতাধীন সরকার। তাই ওরা মুসলমান বিরোধী কথা বলছে। এগুলো ডিপ স্টেট এজেন্ট এর শেখানো বুলি মাত্র।পশ্চিমবঙ্গে শুভেন্দু অধিকারী যথেষ্ট সমস্যার সৃষ্টি করবে, পশ্চিমবঙ্গ বনাম বাংলাদেশের। এগুলো হচ্ছে রাজনৈতিক স্বার্থ হাসিলের পাঁয়তারা। কারণ ওরা পশ্চিমবঙ্গের গোটা জাতিকে শোষণ করবে। পণ্যের দাম বৃদ্ধি হবে। ঘুষ দিয়ে চাকরি নিতে হবে। তাই তাদের একটা গুষ্ঠিকে অর্থাৎ সনাতন ধর্মীয় লোকগুলোকে খুশি রাখতেই হবে । মুসলমানদেরকে গালি দিয়ে। কখনও কখনও অত‍্যাচার নির্যাতন করে করে। অথচ প্রতারিত হবে কিন্তু সবাই। এক পক্ষ খুশিতে শোষণের শিকার হবে। আরেক পক্ষ নিরুপায় হয়ে মেনে নিবে।কথা থাকে যে, এখনো আমাদের দেশে যেমন রয়েছে, নব‍্য লর্ড ক্লাইভ, তেমনি রয়েছে, নব‍্য মীরজাফর, কাশিম ও মীর মিরন গং । সেদিনের ইষ্ট ইন্ডিয়া কোম্পানিই আজকে চুয়ান্ন বছর ধরে ডিপ স্টেট এজেন্ট নামে সমগ্র জাতিকে শোষণ করা হচ্ছে বাংলাদেশ নামক দেশটাকে। আর সেই শেখ মুজিব থেকে তারেক রহমান ওরা দেশ সেবার নামে নিজের একটা বিশাল বাহিনী নিয়ে ডিপ স্টেট এজেন্ট এর হুকুমের গোলাম হয়ে সমগ্র জাতিকে শোষণ করার সুযোগ করে দিচ্ছে। তবে ইতিহাস কাউকেই ক্ষমা করবে না। এই কথা কিন্তু সত্যি। মীরজাফরের পরে মীর কাশিম সেদিন বাংলার নবাব হয়। যদিও একসময় মীর কাশিম ইষ্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির সাথে বিদ্রোহ করার চেষ্টা করে। তবে তখন খুবই দেরি হয়ে গিয়েছিল। তাই মীর কাশিম তার শেষ রক্ষা হয়নি।বাংলার পুরাতন ইতিহাসে প্রমাণিত, বাংলার শেষ নবাব সিরাজদৌল্লাকে হত্যা করার পর, লর্ড ক্লাইভ মীরজাফরকে শর্ত সাপেক্ষে বাংলার নবাব হবার প্রস্তাব দেয় শর্ত সাপেক্ষে। মীরজাফরকে লর্ড ক্লাইভ এই মর্মে শর্ত দেয় যে, সাড়ে সাত লাখ পাউন্ড যদি আপনি আমাকে দিতে পারেন। তাহলে আপনি হবেন বাংলার নবাব। লোভী মীরজাফর সেদিন সাড়ে সাত লাখ পাউন্ড অর্থ দিতে রাজী হয়েছিল। সেদিনের সাড়ে সাত লাখ পাউন্ড অর্থের সমান তৎকালীন বাংলা টাকায় প্রায় বিশ লাখ টাকার সমান ছিলো। তারপরের ঘটনার ঘটনা ও তারপরের ইতিহাস অনেকের জানা আছে।মীরজাফর বছরে সাড়ে সাত লাখ পাউন্ড দিতে, যে আমলে রাজী হয়েছিল। তখন বাংলা টাকায় বিশ লাখ টাকার সমান। আজকের দিনের ডিপ স্টেট এজেন্ট এর দাবি মাসে বিশ হাজার কোটি টাকার সমান শুধুমাত্র বাংলাদেশ থেকে । তাই প্রতিটা সরকার পরিবর্তনের পরেই দেখবেন। নিত‍্য প্রয়োজনীয় শতাধিক পণ্যের মূল্য বৃদ্ধি হয়ে যায় অটোমেটিক। কোনো আলোচনা ও কোনো বাজেট ছাড়াই।একটি উদাহরণ দেয়া যেতে পারে ২০০৮ সালে সোয়াবিন তেলের কেজি ছিল ৬৫ – ৭০ টাকা বা লিটার। এই সোয়াবিন তেলের দাম যখন ১৭০ – ১৮০ টাকা কেজি বানিয়েছিল শেখ হাসিনা এর মানে তিনিও ডিপ স্টেট এজেন্ট ধারা শর্ত সাপেক্ষে রাষ্ট্র পরিচালনা করেছিলেন দীর্ঘদিন। তাই শেখ হাসিনার অহংকার ও ছিলো অনেক। তাই দেশের সবাইকে রাজাকার উপাধি দিতেন। সবাই ভিন্ন মতের মনে করতেন।তাই ভিন্ন মতের সব জনগণকে শেখ হাসিনা অবজ্ঞা করতেন চরম। এগুলো কিন্তু ডিপ স্টেট এর শেখানো বুলি ছিলো মাত্র । এর মুল কারণ ছিলো দেশের জনগণ ছিলো শেখ হাসিনার প্রতি অখুশি হয়। তাহলে সেই সুযোগে নতুন কোনো সরকারকে আবার নতুন করে চুক্তি করে ক্ষমতায় আনলে লাভবান বেশি হবে।এদিকে ড. ইউনূস সরকার আসার পর ২০০ টাকা কেজি হয়ে গেলো সোয়াবিন তেল। এবং প্রতিটি সিগারেটে দুই টাকা বাড়িয়ে দেয়া হলো কোনো বাজেট ছাড়াই। যেটাকে বলে গোটা জাতি শোষিত হচ্ছে ডিপ স্টেট এজেন্ট এর ইশারায়। ড. ইউনূস ও ডিপ স্টেট এজেন্টের ধারাই পরিচালিত অন্তর্বর্তীকালীন সরকার ছিলো।আজকে তারেক রহমান ক্ষমতায় আসার পর পর নতুন করে আবার শতাধিক পণ্যের মূল্য বেড়ে গেছে অটোমেটিক। আমাদের দেশের জাতীয় নির্বাচন, জাতীয় সংসদ এত মন্ত্রী এমপি সবাই কিন্তু বিষয়টি জানে। জানলেও কেউ পদত‍্যাগ করবে না। যতদিন পর্যন্ত ডিপ স্টেট এর নতুন এজেন্টরা কানে ধরে না নামাবে ততক্ষণ পর্যন্ত ক্ষমতা লোভী গুলো নিলজ্জের মত লেগেই থাকবে সরকারের সাথে। এখানে কথা থাকে যে, বতর্মান ডিপ স্টেট এজেন্ট শুধুমাত্র সরকার দলের লিড দিচ্ছে তা কিন্তু নয়। বিরোধী দলের সাথেও ডিপ স্টেট এজেন্ট এর সখ‍্যতা রয়েছে। তবে আরো কথা থাকে যে, যেসকল দেশে দেশপ্রেমিক সরকার থাকে দেশপ্রেমিক সরকারি কর্মকর্তা থাকে সেই সকল ডিপ স্টেট এজেন্ট এর কোনো তদারকি চলে না। চলবে

অথই নূরুল আমিন
রাজনৈতিক বিশ্লেষক, কলাম লেখক ও রাষ্ট্রচিন্তক।
মুখপাত্র জাতীয় মানবসম্পদ উইং।
প্রধানমন্ত্রীর মানবসম্পদ উন্নয়ন উপদেষ্টা গ্রন্থ লেখক।
১১. মে ২০২৬

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

বিলুপ্ত ইষ্ট ইন্ডিয়া কোম্পানিই আজকের ডিপ স্টেট সোসাইটি। জনগণকে শোষণ করা হচ্ছে ইচ্ছে মতো….অথই নূরুল আমিন

আপডেট সময় : ১১:০৪:২৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৩ মে ২০২৬

নিজস্ব প্রতিনিধি

যদি বাংলাদেশের কথা বলতে যাই তাহলে বলতে হবে, শেখ মুজিব থেকে তারেক রহমান। স্বাধীন বাংলাদেশের সকল সরকারই ছিলো ডিপ স্টেট এজেন্ট ধারা নিয়ন্ত্রিত এবং পরিচালিত। তাই দেশের সার্বিক উন্নয়ন কোনভাবেই করা যাচ্ছে না। সিন্ডিকেট ভাঙ্গছে না। শিক্ষা সেবায়, স্বাস্থ্যসেবায় এবং আইন আদালত পাড়ায়, ঘুষ দিতে হচ্ছে জনগণকে নিয়মিত। একমাত্র ডিপ স্টেট এজেন্ট ধারায় আমাদের দেশের সরকার গুলো পরিচালিত হচ্ছে বিধায় এহেন ঘটনা ঘটছে যুগের পর যুগ।কথা থাকে যে, ডিপ স্টেট পরিচালিত সরকার শুধু বাংলাদেশে আছে আসলে এমনটি নয়। দেশের অসংখ্য দেশে এরকম কমিশন বাণিজ্যের সরকার রয়েছে। ঐ সরকার গুলোই মূলত ডিপ স্টেট ধারা পরিচালিত হয়। তাই দেশে সরকারি চাকরি বাণিজ্য চলে। সরকারি কর্মকর্তাদের ঘুষ বাণিজ্য চলে। বদলি বাণিজ্য চলে, প্রমোশন বাণিজ্য চলে। অনেক এমপি মন্ত্রী হতে গেলেও বতর্মানে কোটি কোটি টাকা ডিপ স্টেট এজেন্টকে দিতে হয়। যদিও অনেক বিষয় গোপনীয়। তাই আমাদের দেশে ধরীরা আরো ধনী হচ্ছে। গরিবেরা রয়ে যাচ্ছে গরিবই।কথা থাকে আমেরিকার ডোনাল্ড ট্রাম্প ও কিন্তু ডিপ স্টেট এজেন্টের তৈরি রাষ্ট্রপতি। এদিকে ভারতের নরেন্দ্র মোদি ও কিন্তু ডিপ স্টেট এজেন্টের প্রধানমন্ত্রী। ভারতের বিজেপি কিন্তু ডিপ স্টেট এজেন্ট এর আওতাধীন সরকার। তাই ওরা মুসলমান বিরোধী কথা বলছে। এগুলো ডিপ স্টেট এজেন্ট এর শেখানো বুলি মাত্র।পশ্চিমবঙ্গে শুভেন্দু অধিকারী যথেষ্ট সমস্যার সৃষ্টি করবে, পশ্চিমবঙ্গ বনাম বাংলাদেশের। এগুলো হচ্ছে রাজনৈতিক স্বার্থ হাসিলের পাঁয়তারা। কারণ ওরা পশ্চিমবঙ্গের গোটা জাতিকে শোষণ করবে। পণ্যের দাম বৃদ্ধি হবে। ঘুষ দিয়ে চাকরি নিতে হবে। তাই তাদের একটা গুষ্ঠিকে অর্থাৎ সনাতন ধর্মীয় লোকগুলোকে খুশি রাখতেই হবে । মুসলমানদেরকে গালি দিয়ে। কখনও কখনও অত‍্যাচার নির্যাতন করে করে। অথচ প্রতারিত হবে কিন্তু সবাই। এক পক্ষ খুশিতে শোষণের শিকার হবে। আরেক পক্ষ নিরুপায় হয়ে মেনে নিবে।কথা থাকে যে, এখনো আমাদের দেশে যেমন রয়েছে, নব‍্য লর্ড ক্লাইভ, তেমনি রয়েছে, নব‍্য মীরজাফর, কাশিম ও মীর মিরন গং । সেদিনের ইষ্ট ইন্ডিয়া কোম্পানিই আজকে চুয়ান্ন বছর ধরে ডিপ স্টেট এজেন্ট নামে সমগ্র জাতিকে শোষণ করা হচ্ছে বাংলাদেশ নামক দেশটাকে। আর সেই শেখ মুজিব থেকে তারেক রহমান ওরা দেশ সেবার নামে নিজের একটা বিশাল বাহিনী নিয়ে ডিপ স্টেট এজেন্ট এর হুকুমের গোলাম হয়ে সমগ্র জাতিকে শোষণ করার সুযোগ করে দিচ্ছে। তবে ইতিহাস কাউকেই ক্ষমা করবে না। এই কথা কিন্তু সত্যি। মীরজাফরের পরে মীর কাশিম সেদিন বাংলার নবাব হয়। যদিও একসময় মীর কাশিম ইষ্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির সাথে বিদ্রোহ করার চেষ্টা করে। তবে তখন খুবই দেরি হয়ে গিয়েছিল। তাই মীর কাশিম তার শেষ রক্ষা হয়নি।বাংলার পুরাতন ইতিহাসে প্রমাণিত, বাংলার শেষ নবাব সিরাজদৌল্লাকে হত্যা করার পর, লর্ড ক্লাইভ মীরজাফরকে শর্ত সাপেক্ষে বাংলার নবাব হবার প্রস্তাব দেয় শর্ত সাপেক্ষে। মীরজাফরকে লর্ড ক্লাইভ এই মর্মে শর্ত দেয় যে, সাড়ে সাত লাখ পাউন্ড যদি আপনি আমাকে দিতে পারেন। তাহলে আপনি হবেন বাংলার নবাব। লোভী মীরজাফর সেদিন সাড়ে সাত লাখ পাউন্ড অর্থ দিতে রাজী হয়েছিল। সেদিনের সাড়ে সাত লাখ পাউন্ড অর্থের সমান তৎকালীন বাংলা টাকায় প্রায় বিশ লাখ টাকার সমান ছিলো। তারপরের ঘটনার ঘটনা ও তারপরের ইতিহাস অনেকের জানা আছে।মীরজাফর বছরে সাড়ে সাত লাখ পাউন্ড দিতে, যে আমলে রাজী হয়েছিল। তখন বাংলা টাকায় বিশ লাখ টাকার সমান। আজকের দিনের ডিপ স্টেট এজেন্ট এর দাবি মাসে বিশ হাজার কোটি টাকার সমান শুধুমাত্র বাংলাদেশ থেকে । তাই প্রতিটা সরকার পরিবর্তনের পরেই দেখবেন। নিত‍্য প্রয়োজনীয় শতাধিক পণ্যের মূল্য বৃদ্ধি হয়ে যায় অটোমেটিক। কোনো আলোচনা ও কোনো বাজেট ছাড়াই।একটি উদাহরণ দেয়া যেতে পারে ২০০৮ সালে সোয়াবিন তেলের কেজি ছিল ৬৫ – ৭০ টাকা বা লিটার। এই সোয়াবিন তেলের দাম যখন ১৭০ – ১৮০ টাকা কেজি বানিয়েছিল শেখ হাসিনা এর মানে তিনিও ডিপ স্টেট এজেন্ট ধারা শর্ত সাপেক্ষে রাষ্ট্র পরিচালনা করেছিলেন দীর্ঘদিন। তাই শেখ হাসিনার অহংকার ও ছিলো অনেক। তাই দেশের সবাইকে রাজাকার উপাধি দিতেন। সবাই ভিন্ন মতের মনে করতেন।তাই ভিন্ন মতের সব জনগণকে শেখ হাসিনা অবজ্ঞা করতেন চরম। এগুলো কিন্তু ডিপ স্টেট এর শেখানো বুলি ছিলো মাত্র । এর মুল কারণ ছিলো দেশের জনগণ ছিলো শেখ হাসিনার প্রতি অখুশি হয়। তাহলে সেই সুযোগে নতুন কোনো সরকারকে আবার নতুন করে চুক্তি করে ক্ষমতায় আনলে লাভবান বেশি হবে।এদিকে ড. ইউনূস সরকার আসার পর ২০০ টাকা কেজি হয়ে গেলো সোয়াবিন তেল। এবং প্রতিটি সিগারেটে দুই টাকা বাড়িয়ে দেয়া হলো কোনো বাজেট ছাড়াই। যেটাকে বলে গোটা জাতি শোষিত হচ্ছে ডিপ স্টেট এজেন্ট এর ইশারায়। ড. ইউনূস ও ডিপ স্টেট এজেন্টের ধারাই পরিচালিত অন্তর্বর্তীকালীন সরকার ছিলো।আজকে তারেক রহমান ক্ষমতায় আসার পর পর নতুন করে আবার শতাধিক পণ্যের মূল্য বেড়ে গেছে অটোমেটিক। আমাদের দেশের জাতীয় নির্বাচন, জাতীয় সংসদ এত মন্ত্রী এমপি সবাই কিন্তু বিষয়টি জানে। জানলেও কেউ পদত‍্যাগ করবে না। যতদিন পর্যন্ত ডিপ স্টেট এর নতুন এজেন্টরা কানে ধরে না নামাবে ততক্ষণ পর্যন্ত ক্ষমতা লোভী গুলো নিলজ্জের মত লেগেই থাকবে সরকারের সাথে। এখানে কথা থাকে যে, বতর্মান ডিপ স্টেট এজেন্ট শুধুমাত্র সরকার দলের লিড দিচ্ছে তা কিন্তু নয়। বিরোধী দলের সাথেও ডিপ স্টেট এজেন্ট এর সখ‍্যতা রয়েছে। তবে আরো কথা থাকে যে, যেসকল দেশে দেশপ্রেমিক সরকার থাকে দেশপ্রেমিক সরকারি কর্মকর্তা থাকে সেই সকল ডিপ স্টেট এজেন্ট এর কোনো তদারকি চলে না। চলবে

অথই নূরুল আমিন
রাজনৈতিক বিশ্লেষক, কলাম লেখক ও রাষ্ট্রচিন্তক।
মুখপাত্র জাতীয় মানবসম্পদ উইং।
প্রধানমন্ত্রীর মানবসম্পদ উন্নয়ন উপদেষ্টা গ্রন্থ লেখক।
১১. মে ২০২৬