ঢাকা ০৪:৫৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০১ জুন ২০২৬, ১৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
আমতলীতে ৬৯৯ পরিবারের মাঝে ইসলামিক রিলিফের কুরবানির মাংস বিতরণ জিয়াউর রহমানের কর্মময় জীবন নতুন প্রজন্মের জন্য অনুকরণীয় হয়ে থাকবে’ নান্দাইলে তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী জলঢাকায় শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাৎ বার্ষিকী পালিত আমতলীতে কুরবানির মাংস পেয়ে আনন্দে আত্মহারা বিউটি বেগম বিলাইছড়ি উপজেলায় ২ দিনের সফরে  চাকমা সার্কেল চীফ( রাজা) ব্যারিস্টার দেবাশীষ রায়  ৬৫ বছরের দ্বীনি খেদমতের ইতি-বিদায় নিলেন মাওলানা গিয়াউদ্দিন মন্ডল। শহীদ জিয়ার ৪৫তম শাহাদাত বার্ষিকীতে রামপালে গভীর নলকূপ উদ্বোধন করলেন প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম বিলাইছড়িতে  জিয়াউর রহমান এঁর ৪৫ তম শাহাদাৎ বার্ষিকী পালিত  আমতলীতে পচা চামড়ার দুর্গন্ধে নাকাল পৌর শহর, ক্ষোভে ফুঁসছেন বাসিন্দারা জিয়াউর রহমানের শাহাদাৎ বার্ষিকীতে রামপালে ২৯ মসজিদে খতমে কোরআন

চিলাউড়া হলদিপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে আলোচনায় মোহাম্মদ সাজ্জাদ উল্লাহ

স্টাফ রিপোর্টার
  • আপডেট সময় : ০৬:০৯:৩৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৭ মে ২০২৬ ৩৯ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

স্টাফ রিপোর্টার

খুব শীঘ্রই ইউনিয়ন নির্বাচন-সহ স্থানীয় সরকার নির্বাচন আয়োজন করা হবে– সরকারের তরফ থেকে এমন ঘোষণার পর জগন্নাথপুর উপজেলার চিলাউড়া হলদিপুর ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচন নিয়ে এখন বিভিন্ন মহলে আলোচনা চলছে। বলা চলে, চিলাউড়া হলদিপুর ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে স্থানীয় রাজনীতির মাঠ এখন বেশ সরগরম। সম্ভাব্য প্রার্থীদের দৌড়ঝাঁপ, দলের তৃণমূল নেতাকর্মীদের প্রত্যাশা এবং সাধারণ ভোটারদের জল্পনা-কল্পনায় নতুন নতুন নাম যুক্ত হচ্ছে। এই নির্বাচনী উত্তাপের মধ্যে বর্তমানে স্থানীয় রাজনীতি ও জনমনে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে এসেছেন বহুল পরিচিত সমাজসেবী ও ক্লিন ইমেজের রাজনীতিবিদ মোহাম্মদ সাজ্জাদ। তাঁর রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা ও ব্যক্তিগত জনপ্রিয়তার কারণে তৃণমূলের অনেকে তাঁকে আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হিসেবে দেখতে চাচ্ছেন । মোহাম্মদ সাজ্জাদ উল্লাহ তিনি চিলাউড়া হলদিপুর ইউনিয়নের কৃতি সন্তান, যুক্তরাজ্য প্রবাসী বিএনপি নেতা।তৃণমূলের নেতাকর্মীদের অনেকে মনে করেন,চিলাউড়া হলদিপুর ইউনিয়ন সার্বিক উন্নয়নের স্বার্থে মোহাম্মদ সাজ্জাদ এর মতো একজন যোগ্য, সৎ এবং দূরদর্শী মানুষই ইউনিয়ন চেয়ারম্যান পদে সবচেয়ে উপযুক্ত। তাঁর সমর্থকদের মতে, মোহাম্মদ সাজ্জাদ এর সবচেয়ে বড় শক্তির জায়গা হলো তাঁর সামাজিক অবস্থান এবং সাধারণ মানুষের সাথে সুগভীর সম্পর্ক। সম্ভ্রান্ত পরিবার থেকে উঠে আসা সম্ভাব্য এই ইউনিয়ন চেয়ারম্যান প্রার্থী অত্যন্ত ভদ্র, অমায়িক এবং মৃদুভাষী মানুষ হিসেবে পরিচিত। এই সদালাপী ব্যক্তিত্বই তাঁকে সব শ্রেণী-পেশার মানুষের কাছে গ্রহণযোগ্য করে তুলেছে। তাঁর পরিচ্ছন্ন ইমেজ তাঁকে অনন্য উচ্চতায় নিয়ে গেছে।চিলাউড়া হলদিপুর ইউনিয়নের অনেক সচেতন নাগরিক মনে করেন, একজন ইউনিয়ন চেয়ারম্যানকে হতে হয় জনবান্ধব এবং প্রশাসনিক দক্ষতা সম্পন্ন। মোহাম্মদ সাজ্জাদ এর সেই সক্ষমতা রয়েছে। দীর্ঘ রাজনৈতিক পথচলায় তিনি কখনো প্রতিহিংসার রাজনীতিতে জড়াননি, বরং সবাইকে নিয়ে কাজ করার মানসিকতা লালন করেছেন। তিনি একজন পরিশ্রমী রাজনৈতিক নেতা। এমন একটি ইতিবাচক ইমেজের কারণে তিনি দলমত নির্বিশেষে সাধারণ মানুষের কাছে বেশ জনপ্রিয়। ভোটারদের অনেকে মনে করছেন, উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড এবং ইউনিয়নের সমস্যা নিরসনে তিনি যদি চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পান, তবে চিলাউড়া হলদিপুর ইউনিয়নের একটি দৃশ্যমান ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে।ইউনিয়ন নির্বাচনের সমীকরণে জনপ্রিয়তাই জয়ের মূল চাবিকাঠি। মাঠ পর্যায়ে তাঁর যে ব্যাপক গ্রহণযোগ্যতা রয়েছে, তাতে অনেকে মনে করছেন, তিনি যদি শেষ পর্যন্ত প্রার্থী হন, তবে নির্বাচনের ফলাফল তাঁর অনুকূলে আসার জোরালো সম্ভাবনা রয়েছে। তৃণমূল থেকে এই দাবি ওঠার পেছনে প্রধান কারণ হলো, স্থানীয় রাজনীতিতে পরিবর্তন ও যোগ্য নেতৃত্ব প্রতিষ্ঠা করা। বর্তমান সময়ে দলের চেয়েও ব্যক্তিগত স্বচ্ছতা ও জনপ্রিয়তাকে ভোটাররা বেশি গুরুত্ব দিচ্ছেন। আর এই মানদণ্ডেই মোহাম্মদ সাজ্জাদ অন্য অনেকের চেয়ে এগিয়ে থাকছেন বলে স্থানীয় রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের ধারণা। ইউনিয়ন নির্বাচনে দাঁড়ালে তাঁর জয়ের সম্ভাবনা প্রবল।যদিও এখন পর্যন্ত নির্বাচন নিয়ে তাঁর পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো ঘোষণা আসেনি, তবুও তৃণমূলের এই জোরালো দাবি এবং সাধারণ মানুষের প্রত্যাশা তাঁর সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়ায় প্রভাব ফেলবে বলে আশা করা হচ্ছে। চিলাউড়া হলদিপুর ইউনিয়নের মানুষের সামগ্রিক উন্নয়ন ও একটি আধুনিক ইউনিয়ন বিনির্মাণের স্বপ্নপূরণে তিনি নির্বাচনে অংশ নেন কি না, এখন সেটাই দেখার বিষয়। আর তাঁর দল বিএনপিও তাঁকে সমর্থন করে কিনা সেটাও দেখার বিষয়। অনেকে মনে করছেন, তৃণমূলে মোহাম্মদ সাজ্জাদ এর জনপ্রিয়তাই শেষ পর্যন্ত তাঁকে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে নিয়ে আসবে।তৃণমূলের নেতাকর্মীদের বক্তব্য অত্যন্ত স্পষ্ট—তারা এমন একজন প্রার্থী খুঁজছেন যিনি জনগণের দুঃখ-কষ্ট বোঝেন এবং ইউনিয়ন পরিষদের উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করবেন। সেই প্রত্যাশার সাথে মোহাম্মদ সাজ্জাদ রাজনৈতিক জীবন ও ব্যক্তিগত আচরণের মিল থাকায় তাঁকে ঘিরে ভোটারদের আগ্রহের পারদ ক্রমশই চড়ছে। আসন্ন নির্বাচনে প্রার্থী হিসেবে তিনি শেষ পর্যন্ত মাঠে থাকলে যে বেশ জমজমাট হবে, তা এখনই নিশ্চিত করে বলা যায়।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

চিলাউড়া হলদিপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে আলোচনায় মোহাম্মদ সাজ্জাদ উল্লাহ

আপডেট সময় : ০৬:০৯:৩৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৭ মে ২০২৬

স্টাফ রিপোর্টার

খুব শীঘ্রই ইউনিয়ন নির্বাচন-সহ স্থানীয় সরকার নির্বাচন আয়োজন করা হবে– সরকারের তরফ থেকে এমন ঘোষণার পর জগন্নাথপুর উপজেলার চিলাউড়া হলদিপুর ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচন নিয়ে এখন বিভিন্ন মহলে আলোচনা চলছে। বলা চলে, চিলাউড়া হলদিপুর ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে স্থানীয় রাজনীতির মাঠ এখন বেশ সরগরম। সম্ভাব্য প্রার্থীদের দৌড়ঝাঁপ, দলের তৃণমূল নেতাকর্মীদের প্রত্যাশা এবং সাধারণ ভোটারদের জল্পনা-কল্পনায় নতুন নতুন নাম যুক্ত হচ্ছে। এই নির্বাচনী উত্তাপের মধ্যে বর্তমানে স্থানীয় রাজনীতি ও জনমনে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে এসেছেন বহুল পরিচিত সমাজসেবী ও ক্লিন ইমেজের রাজনীতিবিদ মোহাম্মদ সাজ্জাদ। তাঁর রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা ও ব্যক্তিগত জনপ্রিয়তার কারণে তৃণমূলের অনেকে তাঁকে আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হিসেবে দেখতে চাচ্ছেন । মোহাম্মদ সাজ্জাদ উল্লাহ তিনি চিলাউড়া হলদিপুর ইউনিয়নের কৃতি সন্তান, যুক্তরাজ্য প্রবাসী বিএনপি নেতা।তৃণমূলের নেতাকর্মীদের অনেকে মনে করেন,চিলাউড়া হলদিপুর ইউনিয়ন সার্বিক উন্নয়নের স্বার্থে মোহাম্মদ সাজ্জাদ এর মতো একজন যোগ্য, সৎ এবং দূরদর্শী মানুষই ইউনিয়ন চেয়ারম্যান পদে সবচেয়ে উপযুক্ত। তাঁর সমর্থকদের মতে, মোহাম্মদ সাজ্জাদ এর সবচেয়ে বড় শক্তির জায়গা হলো তাঁর সামাজিক অবস্থান এবং সাধারণ মানুষের সাথে সুগভীর সম্পর্ক। সম্ভ্রান্ত পরিবার থেকে উঠে আসা সম্ভাব্য এই ইউনিয়ন চেয়ারম্যান প্রার্থী অত্যন্ত ভদ্র, অমায়িক এবং মৃদুভাষী মানুষ হিসেবে পরিচিত। এই সদালাপী ব্যক্তিত্বই তাঁকে সব শ্রেণী-পেশার মানুষের কাছে গ্রহণযোগ্য করে তুলেছে। তাঁর পরিচ্ছন্ন ইমেজ তাঁকে অনন্য উচ্চতায় নিয়ে গেছে।চিলাউড়া হলদিপুর ইউনিয়নের অনেক সচেতন নাগরিক মনে করেন, একজন ইউনিয়ন চেয়ারম্যানকে হতে হয় জনবান্ধব এবং প্রশাসনিক দক্ষতা সম্পন্ন। মোহাম্মদ সাজ্জাদ এর সেই সক্ষমতা রয়েছে। দীর্ঘ রাজনৈতিক পথচলায় তিনি কখনো প্রতিহিংসার রাজনীতিতে জড়াননি, বরং সবাইকে নিয়ে কাজ করার মানসিকতা লালন করেছেন। তিনি একজন পরিশ্রমী রাজনৈতিক নেতা। এমন একটি ইতিবাচক ইমেজের কারণে তিনি দলমত নির্বিশেষে সাধারণ মানুষের কাছে বেশ জনপ্রিয়। ভোটারদের অনেকে মনে করছেন, উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড এবং ইউনিয়নের সমস্যা নিরসনে তিনি যদি চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পান, তবে চিলাউড়া হলদিপুর ইউনিয়নের একটি দৃশ্যমান ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে।ইউনিয়ন নির্বাচনের সমীকরণে জনপ্রিয়তাই জয়ের মূল চাবিকাঠি। মাঠ পর্যায়ে তাঁর যে ব্যাপক গ্রহণযোগ্যতা রয়েছে, তাতে অনেকে মনে করছেন, তিনি যদি শেষ পর্যন্ত প্রার্থী হন, তবে নির্বাচনের ফলাফল তাঁর অনুকূলে আসার জোরালো সম্ভাবনা রয়েছে। তৃণমূল থেকে এই দাবি ওঠার পেছনে প্রধান কারণ হলো, স্থানীয় রাজনীতিতে পরিবর্তন ও যোগ্য নেতৃত্ব প্রতিষ্ঠা করা। বর্তমান সময়ে দলের চেয়েও ব্যক্তিগত স্বচ্ছতা ও জনপ্রিয়তাকে ভোটাররা বেশি গুরুত্ব দিচ্ছেন। আর এই মানদণ্ডেই মোহাম্মদ সাজ্জাদ অন্য অনেকের চেয়ে এগিয়ে থাকছেন বলে স্থানীয় রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের ধারণা। ইউনিয়ন নির্বাচনে দাঁড়ালে তাঁর জয়ের সম্ভাবনা প্রবল।যদিও এখন পর্যন্ত নির্বাচন নিয়ে তাঁর পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো ঘোষণা আসেনি, তবুও তৃণমূলের এই জোরালো দাবি এবং সাধারণ মানুষের প্রত্যাশা তাঁর সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়ায় প্রভাব ফেলবে বলে আশা করা হচ্ছে। চিলাউড়া হলদিপুর ইউনিয়নের মানুষের সামগ্রিক উন্নয়ন ও একটি আধুনিক ইউনিয়ন বিনির্মাণের স্বপ্নপূরণে তিনি নির্বাচনে অংশ নেন কি না, এখন সেটাই দেখার বিষয়। আর তাঁর দল বিএনপিও তাঁকে সমর্থন করে কিনা সেটাও দেখার বিষয়। অনেকে মনে করছেন, তৃণমূলে মোহাম্মদ সাজ্জাদ এর জনপ্রিয়তাই শেষ পর্যন্ত তাঁকে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে নিয়ে আসবে।তৃণমূলের নেতাকর্মীদের বক্তব্য অত্যন্ত স্পষ্ট—তারা এমন একজন প্রার্থী খুঁজছেন যিনি জনগণের দুঃখ-কষ্ট বোঝেন এবং ইউনিয়ন পরিষদের উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করবেন। সেই প্রত্যাশার সাথে মোহাম্মদ সাজ্জাদ রাজনৈতিক জীবন ও ব্যক্তিগত আচরণের মিল থাকায় তাঁকে ঘিরে ভোটারদের আগ্রহের পারদ ক্রমশই চড়ছে। আসন্ন নির্বাচনে প্রার্থী হিসেবে তিনি শেষ পর্যন্ত মাঠে থাকলে যে বেশ জমজমাট হবে, তা এখনই নিশ্চিত করে বলা যায়।