সম্পাদক ও চেয়ারম্যান তোহ নয় যেনো মলম বিক্রেতা ওরফে কার্ড বিক্রেতা।
- আপডেট সময় : ০৭:০৮:৪৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৮ মে ২০২৬ ১৫ বার পড়া হয়েছে

নিজেকে ঠকে যাওয়ার হাত থেকে বাচান এবং অন্যকে বাচতে সহযোগিতা করুন।সদ্য জন্ম নেওয়া নতুন নতুন অনলাইন পোর্টাল,সাংবাদিক সুরক্ষা, মানবাধিকার,সমাজ সেবা সংস্থা বা প্রতিষ্ঠানের লালসা ভরা হাতের থাবায় নিজেকে বন্দী হওয়া থেকে বাঁচান, নিজেকে এবং নিজের উজ্জল ভবিষ্যৎকে।নাম মাত্র ভুয়া কাগজপত্র, অফিস বিহীন জাতীয় পত্রিকার নামধারী অর্থলোভী কার্ড ব্যবসায়ী ওরফে গুলিস্তান যাত্রাবাড়ীর মলম ব্যবসায়ীদের হাত থেকে নিজেদের কষ্টার্জিত হালাল টাকাকে রক্ষা করে নিজের পরিবারকে হুমকির হাত থেকে রক্ষা করুন। একজন প্রকৃত মানবাধিকার কর্মী, সমাজ সেবক,গণমাধ্যম কর্মী বা উক্ত প্রতিষ্ঠান গুলোর একজন প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান/পরিচালক,এবং একটা পত্রিকা বা টিভি চ্যানেলের চেয়ারম্যান/সম্পাদক ও প্রকাশক, সেটি অনলাইন পোর্টাল অথবা জাতীয় পত্রিকা ও টিভি চ্যানেল হোকনা কেনো কখনোই সে একের অধিক প্রতিষ্ঠান খুলতে ও পরিচালনা করতে পারেনা।কারণ সপ্নকে বাস্তবায়ন করতে বাস্তবে রুপ দিতে এবং সফলতার সহিত সেটিকে বিশ্ব দরবারে তুলে ধরতে কতোটা সংগ্রাম, পরিশ্রম, মান অপমান, লাঞ্চনা, অর্থ ও সময় ব্যায় করতে হয় তা কেবল ঐ প্রতিষ্ঠানের প্রতিষ্ঠাতা/চেয়ারম্যান/পরিচালকই জানেন।একটা প্রতিষ্ঠানকেই প্রতিষ্ঠিত করতে ও বিশ্ব দরবারে মাথা উঁচু করে দাঁড় করাতে যেখানে এত কিছু মোকাবিলা করতে হয় ও হিমসিম খেতে হয় সেখানে টাকা ও পা চাটা ক্ষমতার অপব্যবহারে ৩/৪টা প্রতিষ্ঠান রাতারাতি দাড় করায়।কিন্তু ভেবে দেখেছেন কি🤔 কেনই বা এই অলাভজনক প্রতিষ্ঠানগুলোর পিছনে ও রাতারাতি বাবা মার পরিচয় বিহীন ২দিন/২মাস বয়সি অনলাইন পোর্টাল এবং জাতীয় পত্রিকা নামধারী পত্রিকা ও ব্রেন ওয়াস টাকা হাতানো নাড়ীভুঁড়ি ওয়ালা প্রেগন্যান্ট টিভি নাম দিয়ে প্রতিষ্ঠান গড়ে এর পিছনে এত টাকা ব্যায় করে🫣🤣
বুঝি কিন্তু সুজিনা,,সুজবা ক্যামনে নিজের নামটাই তোহ লিখতে পারিনা সেখানে মলম বিক্রেতা 🤣 ঐ সব কার্ড বিক্রির টাকা দিয়ে চালান উঠানো ও সংসার চালানো সম্পাদকের থেকে ৫০০ থেকে ২০০০/৩০০০টাকার বিনিময়ে একটা কার্ড কিনে গলায় ঝুলিয়ে সাংঘাতিক হইয়া যামু😅😁।আরে মামুর ব্যাডা একবার কি ভেবে দেখেছিস তোর এই কষ্টের টাকা টা কোথায় কাকে দিচ্ছিস,,যাকে দিচ্ছিস তার ঐ প্রতিষ্ঠান ও সে কতদিন ধরে মার্কেটে আছে এবং সন্মানের সহিত আছে নাকি অসম্মানের ভয়ে বাবা মার পরিচয় ছাড়া কিংবা আজকে এ বাবা তোহ কাল সে বাবার নাম ব্যবহার করে দৌড়ের ওপরে আছে ধান্দার খোঁজে তাকে দিচ্ছিস।দে ব্যাডা তোর টাকা তুই দিবি আমাকো কি হুম আমাগোই বা কেনো এত জ্বলবে তাইনা 😊নারে ব্যাডা যখন ঐ মলম বিক্রেতার কার্ড গলায় ঝুলিয়ে সাংঘাতিক কাজ ঘটাতে যাইবি,মানবাধিকার প্রতিষ্ঠার যায়গায় লক্ষ্মণ করবি, সত্যিকারের সৎ সাহসী সাংবাদিকদের বিপদ ও হুমকির মুখে ঠেলে দিবি তখন যায়গা মত পড়ে ছ্যাচা খাবি বা বিনাকারণে অন্যত্র কোন সমস্যা কিংবা নিজস্ব কোন সমসা/পারিবারিক সমস্যায় পড়বি তখন কার্ড বিক্রেতা ( মলম বিক্রেতা) চেয়ারম্যান সম্পাদককে ফোনের পর ফোন দিইয়া দিইয়া ফোন ডারে খাইয়া ফালাইবি তাও তারে ফোনে পাইবিনা,যদি ও পাস তবে তোর ছ্যাচনোর কথা হুইনা ওর জান বাচাইতে বিজি হইয়া পড়বো প্রয়োজনে তরে চিনবো না এমন কি ভুয়া কার্ড বানিয়ে তার প্রতিষ্ঠান ও নিজের সন্মান নষ্ট করার দায়ে মামলা দিয়ে দিবে তখন আপনার সন্মান, টাকা, শ্রম, পরিবার সব হারাইবেন।
👉তাই বলি কি যদি যোগ্য হন তবে যোগ্য যে কোন একটা প্রতিষ্ঠানে যুক্ত হোন।আপনার সুরক্ষায় ৫টা না কাজ করলে পাসে দাঁড়ালে ও বিপদে পাসে পাইলে ঐ একটা প্রতিষ্ঠানই থাকবে।আপনার অর্থ, শ্রম ও মেধা ১০টাকে না দিয়ে ১টাকে দিন সৎ ও নিষ্ঠা এবং সাহসী কতার সঙ্গে কাজ করতে থাকুন। একদিন ঠিকই ঐই প্রতিষ্ঠানে বা ঐ প্রতিষ্ঠানের সুবাধে আপনি ভালো কিছু পেয়ে যাবেন ইনশাআল্লাহ।
আসুন এসকল বাপ মা পরিচয়হীন ২দিনের গড়ে উঠা প্রতিষ্ঠান গুলোকে বর্জন করি। এবং সেই সাথে মলম বিক্রেতা(কার্ড বিক্রি) করা সম্পাদক ও চেয়ারম্যানদের কে চিন্হিত করে তাদের মুখোশ সবার সামনে তুলে ধরি ও সঠিক তথ্য প্রমাণের সহিত আইনের হাতে সোপর্দ করি।মহান আল্লাহ পাক আমাদের সঠিক বুঝ দান করুক এবং নিজের পরিবার, দেশ ও দেশের অসহায় নিপিড়ীত মানুষের সেবায় সদা সর্বদা সৎ ও নিষ্ঠার সহিত নিয়োজিত রাখুক।সচেতনতার জন্য লিখেছি লেখাটি কাউকে উদ্দেশ্য বা আক্রমনাত্মক ভাবে লেখা হয়নি এই লেখাটি।
✍️✍️✍️ মোঃ সৌরভ শেখ
প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান ( আলোর দিশারি মানবাধিকার সমাজকল্যাণ সংস্থা)
সম্পাদক ও প্রকাশক ( দৈনিক সংবাদ চিত্র ও DSC TV)












