ঢাকা ০৪:২৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৬ জুন ২০২৬, ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
“শেষ কবে মাংস খেয়েছি, মনে নেই”— ক্যান্সার আক্রান্ত জাহানারার চোখে আনন্দের জল শোক সংবাদঃ রছুলপুর বহুমুখীউচ বিদ্যালয়ের অবঃসহকারী শিক্ষক হযরত আলী স্যার ইন্তেকাল করেছেন জলঢাকায় ৫ বছরে ৫০ হাজার বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন বাগেরহাট বাধাল বাজারে সচেতনতামূলক সভায় জেলা প্রশাসক….ডেঙ্গু প্রতিরোধে পরিচ্ছন্নতার বিকল্প নেই ময়মনসিংহ মেডিকেল হাম আইসোলেশন ওয়ার্ড পরিদর্শনে এমরান সালেহ প্রিন্স ময়মনসিংহ বিভাগীয় বাংলাদেশ প্রেস ক্লাব সাংগঠনিক উন্নয়নসভা অনুষ্ঠিত জীবনে একসঙ্গে এত মাংস পাইনি— ঈদের আনন্দে ভাসলেন আমতলীর বকফুল বেগম কিশোরগঞ্জে বড়লোকের দোকানের এক্সটেনশন  অভিযান শুরু  তাহিরপুর সীমান্তে ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠান সভায় এমপি কামরুল। ওসি রতন সেখের উদ্যোগে দুই সাংবাদিকের প্রচেষ্টায় অসহায় দিনমজুর সাজু মিয়া পেলো ২৩ হাজার টাকা সহায়তা

দেড় বছরের শিশুকে রেখে প্রেমিকের সঙ্গে চলে যাওয়ার অভিযোগ, বিপাকে স্বামী ও পরিবার

মোঃ তুহিন মন্ডল, রাজবাড়ী প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : ১২:৪৯:২১ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩ জুন ২০২৬ ২১ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

মোঃ তুহিন মন্ডল, রাজবাড়ী প্রতিনিধি

রাজবাড়ীর পাংশা উপজেলার কসবামাজাইল ইউনিয়নের বাংলাট গ্রামে দেড় বছরের শিশু সন্তানকে রেখে এক গৃহবধূ প্রেমিকের সঙ্গে চলে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে। ঘটনাটি নিয়ে এলাকায় ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বাংলাট গ্রামের বাসিন্দা মোঃ মুজিবর ডাক্তারের মেয়ে মোছাঃ হুমায়রা খাতুনের সঙ্গে প্রায় দুই বছর আগে পারিবারিকভাবে তার খালাতো ভাই মোঃ মুরসালিন (সেলিম)-এর বিবাহ সম্পন্ন হয়। বিয়ের কিছুদিন পর তাদের সংসারে জন্ম নেয় একটি পুত্র সন্তান। বর্তমানে শিশুটির বয়স প্রায় দেড় বছর।
পরিবারের সদস্যদের অভিযোগ, সম্প্রতি হুমায়রা খাতুন তার শিশু সন্তানকে নানার বাড়িতে রেখে এক পরকীয়া প্রেমিকের সঙ্গে চলে যান। হঠাৎ এমন ঘটনায় স্বামী, সন্তান ও দুই পরিবারই চরম মানসিক বিপর্যয়ের মধ্যে পড়েছেন।
স্বজনরা জানান, দাম্পত্য জীবনে নানা টানাপোড়েনের মধ্যেও সন্তানের ভবিষ্যতের কথা ভেবে সংসার টিকিয়ে রাখার চেষ্টা করেছিলেন মুরসালিন। কিন্তু স্ত্রীর এমন সিদ্ধান্তে তিনি ভেঙে পড়েছেন। বর্তমানে একমাত্র সন্তানকে নিয়েই বাকি জীবন কাটানোর প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন তিনি।
এদিকে মায়ের স্নেহ থেকে বঞ্চিত দেড় বছরের শিশুটিকে নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন স্থানীয়রা। তাদের মতে, শিশুটির সুস্থ ও স্বাভাবিক বেড়ে ওঠার জন্য প্রয়োজন পরিবার ও সমাজের সহযোগিতা।
ঘটনাটি এলাকায় জানাজানি হওয়ার পর ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। তবে এ বিষয়ে অভিযুক্ত হুমায়রা খাতুনের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। এছাড়া ঘটনার বিষয়ে এখন পর্যন্ত আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কাছে কোনো লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়নি বলে জানা গেছে।
উল্লেখ্য, এ প্রতিবেদনে উল্লিখিত তথ্যগুলো স্থানীয় সূত্র ও পরিবারের সদস্যদের অভিযোগের ভিত্তিতে প্রকাশ করা হয়েছে। অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির বক্তব্য পাওয়া গেলে তা পরবর্তীতে যুক্ত করা হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

দেড় বছরের শিশুকে রেখে প্রেমিকের সঙ্গে চলে যাওয়ার অভিযোগ, বিপাকে স্বামী ও পরিবার

আপডেট সময় : ১২:৪৯:২১ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩ জুন ২০২৬

মোঃ তুহিন মন্ডল, রাজবাড়ী প্রতিনিধি

রাজবাড়ীর পাংশা উপজেলার কসবামাজাইল ইউনিয়নের বাংলাট গ্রামে দেড় বছরের শিশু সন্তানকে রেখে এক গৃহবধূ প্রেমিকের সঙ্গে চলে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে। ঘটনাটি নিয়ে এলাকায় ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বাংলাট গ্রামের বাসিন্দা মোঃ মুজিবর ডাক্তারের মেয়ে মোছাঃ হুমায়রা খাতুনের সঙ্গে প্রায় দুই বছর আগে পারিবারিকভাবে তার খালাতো ভাই মোঃ মুরসালিন (সেলিম)-এর বিবাহ সম্পন্ন হয়। বিয়ের কিছুদিন পর তাদের সংসারে জন্ম নেয় একটি পুত্র সন্তান। বর্তমানে শিশুটির বয়স প্রায় দেড় বছর।
পরিবারের সদস্যদের অভিযোগ, সম্প্রতি হুমায়রা খাতুন তার শিশু সন্তানকে নানার বাড়িতে রেখে এক পরকীয়া প্রেমিকের সঙ্গে চলে যান। হঠাৎ এমন ঘটনায় স্বামী, সন্তান ও দুই পরিবারই চরম মানসিক বিপর্যয়ের মধ্যে পড়েছেন।
স্বজনরা জানান, দাম্পত্য জীবনে নানা টানাপোড়েনের মধ্যেও সন্তানের ভবিষ্যতের কথা ভেবে সংসার টিকিয়ে রাখার চেষ্টা করেছিলেন মুরসালিন। কিন্তু স্ত্রীর এমন সিদ্ধান্তে তিনি ভেঙে পড়েছেন। বর্তমানে একমাত্র সন্তানকে নিয়েই বাকি জীবন কাটানোর প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন তিনি।
এদিকে মায়ের স্নেহ থেকে বঞ্চিত দেড় বছরের শিশুটিকে নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন স্থানীয়রা। তাদের মতে, শিশুটির সুস্থ ও স্বাভাবিক বেড়ে ওঠার জন্য প্রয়োজন পরিবার ও সমাজের সহযোগিতা।
ঘটনাটি এলাকায় জানাজানি হওয়ার পর ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। তবে এ বিষয়ে অভিযুক্ত হুমায়রা খাতুনের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। এছাড়া ঘটনার বিষয়ে এখন পর্যন্ত আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কাছে কোনো লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়নি বলে জানা গেছে।
উল্লেখ্য, এ প্রতিবেদনে উল্লিখিত তথ্যগুলো স্থানীয় সূত্র ও পরিবারের সদস্যদের অভিযোগের ভিত্তিতে প্রকাশ করা হয়েছে। অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির বক্তব্য পাওয়া গেলে তা পরবর্তীতে যুক্ত করা হবে।