রামপালে পেড়িখালি পি ইউ মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ছাত্রী ও তার বাবাকে পিটিয়ে জখম, থানায় অভিযোগ
- আপডেট সময় : ০১:৪৫:২১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৬ অগাস্ট ২০২৬ ৫২ বার পড়া হয়েছে

শেখ মাসুম বিল্লাহ,জেলা প্রতিনিধি বাগেরহাট
বাগেরহাটের রামপালে পেড়িখালি পি ইউ মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির এক ছাত্রী ও তার বাবাকে পিটিয়ে গুরুতর জখম করার অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় কয়েকজন ব্যক্তির বিরুদ্ধে। আজ বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) সকালে উপজেলার সিংহড়বুনিয়া-পুটিমারী এলাকার শুভ এর গ্যারেজের সামনের সড়কে এ ঘটনা ঘটে।গুরুতর আহত স্কুলছাত্রী চাঁদনী (১৪) এবং তার বাবা মো: মফিজুল হাওলাদারকে স্থানীয়রা উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যায়। বর্তমানে চাঁদনী হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী মফিজুল হাওলাদার বাদী হয়ে রামপাল থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।হাসপাতালের বেডে শুয়ে আহত শিক্ষার্থী চাঁদনী জানায়, “আমি পেড়িখালি মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির ছাত্রী। সকাল সাড়ে ৯টার সময় আব্বুর সাথে স্কুলে যাচ্ছিলাম। তখন মাসুদ, মারুফ, নাঈমসহ আরও অনেকেই আমাদের ওপর হামলা করে। প্রথমে আমার ওপর হামলা চালানো হয়। আব্বু তা ঠেকাতে এলে তাকেও মারধর করা হয়।”আহত চাঁদনীর ফুফু এ ঘটনায় তীব্র ক্ষোভ ও বিচার দাবি করে বলেন, “সকালে আমার ভাইজি তার বাবার ভ্যানে করে স্কুলে যাচ্ছিল। পথিমধ্যে পুটিমারী এলাকায় পৌঁছালে মাসুদ, মারুফ ও নাঈমসহ কয়েকজন মিলে ভাইজির ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। আমার ভাই তা ঠেকাতে গেলে তাকেও কিল-ঘুষি মারে এবং ইট দিয়ে মাথায় একাধিক আঘাত করে রক্তাক্ত জখম করে। আমরা এই ন্যক্কারজনক হামলার দৃষ্টান্তমূলক বিচার চাই।”অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, রামপাল থানার আড়ুয়াডাঙ্গা গ্রামের বাসিন্দা ও পেশায় ভ্যানচালক মফিজুল হাওলাদার সকালে নিজের ভ্যানগাড়িতে করে তার মেয়ে চাঁদনী ও সহপাঠী মেঘলাকে স্কুলে পৌঁছে দেওয়ার উদ্দেশ্যে রওনা হন। পথিমধ্যে সিংহড়বুনিয়া-পুটিমারী এলাকায় শুভ এর গ্যারেজের সামনে পৌঁছালে পূর্ব শত্রুতার জের ধরে বিবাদীরা তাদের ভ্যানের গতিরোধ করে এ হামলা চালায়।হামলায় চাঁদনীর ডান হাতের বৃদ্ধাঙ্গুলের গোড়ায় রক্তাক্ত জখমসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে মারাত্মক আঘাতপ্রাপ্ত হয় এবং তার বাবাও মাথাসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত পান। হামলার পর অভিযুক্তরা প্রকাশ্যে বিভিন্ন ধরনের হুমকি দিয়ে ঘটনাস্থল ত্যাগ করে। পরে স্থানীয়দের সহায়তায় আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।রামপাল থানায় দায়ের করা অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, ঘটনায় জড়িত অভিযুক্ত মাসুদ হাওলাদার (৫০), মারুফ হোসেন (২৩) ও নাঈম (৩০)-এর বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানানো হয়েছে।এ বিষয়ে রামপাল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শেখ রাজিব আল রশিদ ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে জানান, অভিযোগ পাওয়া গেছে এবং বিষয়টি তদন্ত করে জড়িয়ে থাকা অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে দ্রুত প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।



















