ঢাকা ০৪:১১ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬, ৩০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
শাহ আরেফিন সড়কে বালুবাহী গাড়ির দৌরাত্ম্য, আতঙ্কে এলাকাবাসী মসিকের নতুন বাজারে ফুটপাত দখল মুক্ত করতে উচ্ছেদ অভিযান ২ প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা সামাজিক সচেতনতা ও আইন বিষয়ক প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত আইনি সেবা দোরগোড়ায় জলঢাকায় গ্রাম আদালতের সচেতনতা বৃদ্ধিমূলক বার্ষিক ক্যাম্পেইন যুবসমাজকে রক্ষায় বাদাঘাট ইউনিয়নে মাদকবিরোধী অভিযান জোরদার ময়মনসিংহ জেলা পুলিশের মাসিক কল্যাণ সভা ও অপরাধ অনুষ্ঠিত সভায় পুরস্কার বিতরণ রামপালে বিশ্ব পরিবেশ দিবস ২০২৬ পালিত, বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত ময়মনসিংহে ডেঙ্গু প্রতিরোধে জনসচেতনতামূলক র‍্যালি অনুষ্ঠিত রাজবাড়ীতে খাল পূনঃখনন ও বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে ৭৭১ শ্রমিকের কর্মসংস্থান, উর্বর হবে কৃষি জমি। লেখালেখি দিয়ে দেশ এবং দেশের বাইরের অঙ্গনেও খ্যাতি ছড়াচ্ছেন শাম্মী তুলতুল।

কাপ্তাই হ্রদের পানি, বৃষ্টি না হলে সম্পূর্ণ বন্ধ হতে পারে বিদ্যুৎ উৎপাদন

চিরন বিকাশ দেওয়ান, রাঙামাটি জেলা প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : ০২:২৭:৩১ অপরাহ্ন, বুধবার, ১০ জুন ২০২৬ ২৬ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

চিরন বিকাশ দেওয়ান, রাঙামাটি জেলা প্রতিনিধি

খরার কারণে দ্রুত কমে যাচ্ছে কাপ্তাই হ্রদের পানির স্তর। ফলে হ্রদের পানির ওপর নির্ভরশীল কর্ণফুলী পানি বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্রের (কপাবিকে) পাঁচটি ইউনিটের মধ্যে মাত্র দুটি ইউনিট চালু রেখে ৬০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন করা হচ্ছে। পানি স্বল্পতার কারণে কেন্দ্রের তিনটি ইউনিট বন্ধ রয়েছে।মঙ্গলবার (৯ জুন) কপাবিকের ব্যবস্থাপক প্রকৌশলী মাহমুদ হাসান জানান, কেন্দ্রের পাঁচটি ইউনিটই সচল থাকলেও পর্যাপ্ত পানির অভাবে সব ইউনিট চালানো সম্ভব হচ্ছে না। সকাল ৯টা পর্যন্ত ২ নম্বর ইউনিটে ৩৩ মেগাওয়াট এবং ৩ নম্বর ইউনিটে ২৭ মেগাওয়াটসহ মোট ৬০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন করা হচ্ছে। কেন্দ্রটির মোট উৎপাদন সক্ষমতা ২৩০ মেগাওয়াট হলেও সব ইউনিট একসঙ্গে চালু থাকলে প্রায় ২৪০ মেগাওয়াট পর্যন্ত বিদ্যুৎ উৎপাদন সম্ভব।কেন্দ্রের কন্ট্রোল রুম সূত্রে জানা গেছে, বর্তমানে কাপ্তাই হ্রদে পানির স্তর থাকার কথা ছিল ৭৮ দশমিক ০৮ মিন সি লেভেল (এমএসএল)। কিন্তু মঙ্গলবার তা নেমে দাঁড়িয়েছে ৭৩ দশমিক ৯৯ এমএসএলে। ফলে পানি স্বল্পতার কারণে বিদ্যুৎ উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে। তবে ভারী বৃষ্টিপাত হলে হ্রদের পানির স্তর বাড়বে এবং উৎপাদনও বৃদ্ধি পাবে বলে সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন।সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, ৬৮ এমএসএলকে বিপজ্জনক সীমা হিসেবে ধরা হয়। পানির স্তর ৬৮ এমএসএলে নেমে গেলে বিদ্যুৎ উৎপাদন সম্পূর্ণভাবে বন্ধ হয়ে যাবে। কাপ্তাই হ্রদের সর্বোচ্চ পানি ধারণক্ষমতা ১০৯ এমএসএল।অন্যদিকে, হ্রদে পানির স্তর কমে যাওয়ায় শুধু বিদ্যুৎ উৎপাদনই নয়, হ্রদনির্ভর মানুষের দুর্ভোগও বাড়ছে। বিশেষ করে বিলাইছড়ি উপজেলা বরকল উপজেলা জুরাছড়ি উপজেলা লংগদু উপজেলা ও বাঘাইছড়ি উপজেলার নৌপথে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। হ্রদের বিভিন্ন স্থানে চর জেগে ওঠায় নৌযান চলাচল বাধাগ্রস্ত হচ্ছে এবং স্থানীয়দের চলাচলে যাত্রী ভাড়া পূন্য বহনে চারগুন বৃদ্ধি পাচ্ছে ভোগান্তি বাড়ছে যাত্রী সেবা দ্রব্য মূল্য চরমে নিরুপায় উপজেলা বাসী।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

কাপ্তাই হ্রদের পানি, বৃষ্টি না হলে সম্পূর্ণ বন্ধ হতে পারে বিদ্যুৎ উৎপাদন

আপডেট সময় : ০২:২৭:৩১ অপরাহ্ন, বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

চিরন বিকাশ দেওয়ান, রাঙামাটি জেলা প্রতিনিধি

খরার কারণে দ্রুত কমে যাচ্ছে কাপ্তাই হ্রদের পানির স্তর। ফলে হ্রদের পানির ওপর নির্ভরশীল কর্ণফুলী পানি বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্রের (কপাবিকে) পাঁচটি ইউনিটের মধ্যে মাত্র দুটি ইউনিট চালু রেখে ৬০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন করা হচ্ছে। পানি স্বল্পতার কারণে কেন্দ্রের তিনটি ইউনিট বন্ধ রয়েছে।মঙ্গলবার (৯ জুন) কপাবিকের ব্যবস্থাপক প্রকৌশলী মাহমুদ হাসান জানান, কেন্দ্রের পাঁচটি ইউনিটই সচল থাকলেও পর্যাপ্ত পানির অভাবে সব ইউনিট চালানো সম্ভব হচ্ছে না। সকাল ৯টা পর্যন্ত ২ নম্বর ইউনিটে ৩৩ মেগাওয়াট এবং ৩ নম্বর ইউনিটে ২৭ মেগাওয়াটসহ মোট ৬০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন করা হচ্ছে। কেন্দ্রটির মোট উৎপাদন সক্ষমতা ২৩০ মেগাওয়াট হলেও সব ইউনিট একসঙ্গে চালু থাকলে প্রায় ২৪০ মেগাওয়াট পর্যন্ত বিদ্যুৎ উৎপাদন সম্ভব।কেন্দ্রের কন্ট্রোল রুম সূত্রে জানা গেছে, বর্তমানে কাপ্তাই হ্রদে পানির স্তর থাকার কথা ছিল ৭৮ দশমিক ০৮ মিন সি লেভেল (এমএসএল)। কিন্তু মঙ্গলবার তা নেমে দাঁড়িয়েছে ৭৩ দশমিক ৯৯ এমএসএলে। ফলে পানি স্বল্পতার কারণে বিদ্যুৎ উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে। তবে ভারী বৃষ্টিপাত হলে হ্রদের পানির স্তর বাড়বে এবং উৎপাদনও বৃদ্ধি পাবে বলে সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন।সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, ৬৮ এমএসএলকে বিপজ্জনক সীমা হিসেবে ধরা হয়। পানির স্তর ৬৮ এমএসএলে নেমে গেলে বিদ্যুৎ উৎপাদন সম্পূর্ণভাবে বন্ধ হয়ে যাবে। কাপ্তাই হ্রদের সর্বোচ্চ পানি ধারণক্ষমতা ১০৯ এমএসএল।অন্যদিকে, হ্রদে পানির স্তর কমে যাওয়ায় শুধু বিদ্যুৎ উৎপাদনই নয়, হ্রদনির্ভর মানুষের দুর্ভোগও বাড়ছে। বিশেষ করে বিলাইছড়ি উপজেলা বরকল উপজেলা জুরাছড়ি উপজেলা লংগদু উপজেলা ও বাঘাইছড়ি উপজেলার নৌপথে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। হ্রদের বিভিন্ন স্থানে চর জেগে ওঠায় নৌযান চলাচল বাধাগ্রস্ত হচ্ছে এবং স্থানীয়দের চলাচলে যাত্রী ভাড়া পূন্য বহনে চারগুন বৃদ্ধি পাচ্ছে ভোগান্তি বাড়ছে যাত্রী সেবা দ্রব্য মূল্য চরমে নিরুপায় উপজেলা বাসী।