ঢাকা ০৪:১২ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬, ৩০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
শাহ আরেফিন সড়কে বালুবাহী গাড়ির দৌরাত্ম্য, আতঙ্কে এলাকাবাসী মসিকের নতুন বাজারে ফুটপাত দখল মুক্ত করতে উচ্ছেদ অভিযান ২ প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা সামাজিক সচেতনতা ও আইন বিষয়ক প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত আইনি সেবা দোরগোড়ায় জলঢাকায় গ্রাম আদালতের সচেতনতা বৃদ্ধিমূলক বার্ষিক ক্যাম্পেইন যুবসমাজকে রক্ষায় বাদাঘাট ইউনিয়নে মাদকবিরোধী অভিযান জোরদার ময়মনসিংহ জেলা পুলিশের মাসিক কল্যাণ সভা ও অপরাধ অনুষ্ঠিত সভায় পুরস্কার বিতরণ রামপালে বিশ্ব পরিবেশ দিবস ২০২৬ পালিত, বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত ময়মনসিংহে ডেঙ্গু প্রতিরোধে জনসচেতনতামূলক র‍্যালি অনুষ্ঠিত রাজবাড়ীতে খাল পূনঃখনন ও বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে ৭৭১ শ্রমিকের কর্মসংস্থান, উর্বর হবে কৃষি জমি। লেখালেখি দিয়ে দেশ এবং দেশের বাইরের অঙ্গনেও খ্যাতি ছড়াচ্ছেন শাম্মী তুলতুল।

শাহ আরেফিন সড়কে বালুবাহী গাড়ির দৌরাত্ম্য, আতঙ্কে এলাকাবাসী

আমির হোসেন,স্টাফ রিপোর্টার
  • আপডেট সময় : ০১:১৮:৫১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১২ জুন ২০২৬ ৩৫ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

আমির হোসেন,স্টাফ রিপোর্টার

সুনামগঞ্জের তাহিরপুর উপজেলার লাউড়েরগড় সীমান্তের জিরো পয়েন্ট শাহিদাবাদ ও শাহ আরেফিন (রাঃ) মোকাম এলাকায় অবৈধভাবে বালু উত্তোলন ও পরিবহনের অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়দের দাবি, প্রতিদিন দিন-রাত যাদুকাটা নদীর তীর, শাহিদাবাদ ও শাহ আরেফিন এলাকার বিভিন্ন স্থান থেকে বালু কেটে ট্রলি, লড়ি, মাহিন্দ্র ও শতাধিক ঠেলা গাড়িযোগে পরিবহন করা হচ্ছে।অভিযোগ রয়েছে, একটি প্রভাবশালী বালু সিন্ডিকেট দীর্ঘদিন ধরে এসব কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে। বালুভর্তি যানবাহনগুলো শাহ আরেফিন থেকে লাউড়েরগড় বাজার সড়ক দিয়ে বেপরোয়া গতিতে চলাচল করায় জননিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, এ সড়ক দিয়ে প্রতিদিন স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থী, সাধারণ মানুষ ও দেশ-বিদেশ থেকে আগত পর্যটকরা যাতায়াত করেন। কিন্তু অবৈধ বালুবাহী যানবাহনের কারণে তাদের জীবনের ঝুঁকি বাড়ছে। রাস্তার দুই পাশের পরিবারগুলোর ছোট ছোট শিশুরাও ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে।এলাকাবাসীর অভিযোগ, বালুবাহী যানবাহনের কারণে সিএনজি, অটোরিকশা ও মোটরসাইকেল চলাচল ব্যাহত হচ্ছে। এছাড়া সড়কের ওপর বালি ও মাটি জমে থাকায় বৃষ্টির সময় কাদার সৃষ্টি হয় এবং শুকনো মৌসুমে ধুলাবালির কারণে চলাচল দুর্বিষহ হয়ে পড়ে।স্থানীয় শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও সচেতন নাগরিকরা আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেন, দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ না করলে যেকোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।এ বিষয়ে এলাকাবাসী অবৈধ বালু উত্তোলন ও পরিবহন বন্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সুনামগঞ্জ-২৮ ব্যাটালিয়ন বিজিবির অধিনায়ক, সুনামগঞ্জের পুলিশ সুপার, জেলা প্রশাসক, তাহিরপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এবং তাহিরপুর থানার অফিসার ইনচার্জের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

শাহ আরেফিন সড়কে বালুবাহী গাড়ির দৌরাত্ম্য, আতঙ্কে এলাকাবাসী

আপডেট সময় : ০১:১৮:৫১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১২ জুন ২০২৬

আমির হোসেন,স্টাফ রিপোর্টার

সুনামগঞ্জের তাহিরপুর উপজেলার লাউড়েরগড় সীমান্তের জিরো পয়েন্ট শাহিদাবাদ ও শাহ আরেফিন (রাঃ) মোকাম এলাকায় অবৈধভাবে বালু উত্তোলন ও পরিবহনের অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়দের দাবি, প্রতিদিন দিন-রাত যাদুকাটা নদীর তীর, শাহিদাবাদ ও শাহ আরেফিন এলাকার বিভিন্ন স্থান থেকে বালু কেটে ট্রলি, লড়ি, মাহিন্দ্র ও শতাধিক ঠেলা গাড়িযোগে পরিবহন করা হচ্ছে।অভিযোগ রয়েছে, একটি প্রভাবশালী বালু সিন্ডিকেট দীর্ঘদিন ধরে এসব কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে। বালুভর্তি যানবাহনগুলো শাহ আরেফিন থেকে লাউড়েরগড় বাজার সড়ক দিয়ে বেপরোয়া গতিতে চলাচল করায় জননিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, এ সড়ক দিয়ে প্রতিদিন স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থী, সাধারণ মানুষ ও দেশ-বিদেশ থেকে আগত পর্যটকরা যাতায়াত করেন। কিন্তু অবৈধ বালুবাহী যানবাহনের কারণে তাদের জীবনের ঝুঁকি বাড়ছে। রাস্তার দুই পাশের পরিবারগুলোর ছোট ছোট শিশুরাও ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে।এলাকাবাসীর অভিযোগ, বালুবাহী যানবাহনের কারণে সিএনজি, অটোরিকশা ও মোটরসাইকেল চলাচল ব্যাহত হচ্ছে। এছাড়া সড়কের ওপর বালি ও মাটি জমে থাকায় বৃষ্টির সময় কাদার সৃষ্টি হয় এবং শুকনো মৌসুমে ধুলাবালির কারণে চলাচল দুর্বিষহ হয়ে পড়ে।স্থানীয় শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও সচেতন নাগরিকরা আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেন, দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ না করলে যেকোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।এ বিষয়ে এলাকাবাসী অবৈধ বালু উত্তোলন ও পরিবহন বন্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সুনামগঞ্জ-২৮ ব্যাটালিয়ন বিজিবির অধিনায়ক, সুনামগঞ্জের পুলিশ সুপার, জেলা প্রশাসক, তাহিরপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এবং তাহিরপুর থানার অফিসার ইনচার্জের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।