জলঢাকায় রাজপথের আপসহীন নেতৃত্ব ময়নুল ইসলামের গৌরবোজ্জ্বল রাজনৈতিক পথচলা
- আপডেট সময় : ০২:২৯:৪১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৭ অগাস্ট ২০২৬ ২৩ বার পড়া হয়েছে

মোঃ নুরুজ্জামান, নীলফামারী
নীলফামারীর জলঢাকা উপজেলা বিএনপির রাজনীতি কোনো ক্ষণিকের অবস্থান কিংবা পদ-পদবির মেকি মোড়ক নয়; রাজনীতি হলো আদর্শের অগ্নিপরীক্ষায় বারবার উত্তীর্ণ হওয়ার এক কঠিন ও নিরবচ্ছিন্ন সংগ্রাম। জলঢাকা উপজেলার রাজনৈতিক মানচিত্রে তেমনই এক আস্থার প্রতীক ও আপসহীন লড়াকু মুখের নাম ময়নুল ইসলাম। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের প্রবর্তিত বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দর্শনের প্রতি অবিচল আস্থা এবং দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া ও দেশনায়ক তারেক রহমানের নির্দেশনায় তিনি রাজপথের কণ্টকাকীর্ণ পথ পার করেছেন অত্যন্ত সাহসিকতার সাথে।
তৃণমূল থেকে উত্থান ও পদাক্রমের ইতিহাস
ময়নুল ইসলামের রাজনৈতিক জীবনের সূত্রপাত রাজপথের আন্দোলন আর তৃণমূলের ধূলিমলিন উঠোন থেকে। স্বৈরাচারী শাসন ও চরম প্রতিকূল রাজনৈতিক পরিস্থিতির মধ্যেও তিনি কখনো নীতিচ্যুত হননি।তৃণমূলের পদক্ষেপ প্রাথমিক সদস্যপদ গ্রহণ করে জাতীয়তাবাদী রাজনীতিতে পথচলা শুরু। সাধারণ নেতাকর্মীদের সাথে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ ও আন্দোলনে সামনের সারিতে থেকে নেতৃত্বদান।সদ্য সাবেক সাধারণ সম্পাদক (জলঢাকা উপজেলা বিএনপি): জলঢাকা উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদকের মতো গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালনকালে তিনি তৃণমূলকে পুনর্গঠিত করেন। উপজেলার প্রতিটি ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড বিএনপির নেতাকর্মীদের এক সুতোয় গেঁথে একটি শক্তিশালী সাংগঠনিক প্রাচীর গড়ে তোলেন।
জেলা কমিটিতে গুরুদায়িত্ব দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে দলের প্রতি তাঁর অকৃত্রিম আনুগত্য, ত্যাগ এবং দক্ষ সাংগঠনিক ভূমিকার মূল্যায়নে তাঁকে নীলফামারী জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির অন্যতম সম্মানিত সদস্য হিসেবে দায়িত্ব প্রদান করা হয়।
রাজপথের ত্যাগের ইতিহাস ও মানবিক নেতৃত্ব
সংবাদের ব্যানার বা মেকআপের আড়ালে থেকে যায় অসংখ্য আত্মত্যাগ ও সহমর্মিতার না-বলা গল্প, যা কেবল তৃণমূল কর্মীরাই অনুভব করতে পারেন।
প্রতিকূলতায় অবিচল নেতৃত্ব:জলঢাকার রাজপথ যখন বিরোধী দলের কর্মসূচির জন্য ঝুঁকিপূর্ণ ছিল, যখন মিছিলে শরিক হওয়া মানেই ছিল গ্রেফতার বা নির্যাতনের শঙ্কা—তখনো ময়নুল ইসলাম পিছপা হননি।
নেতাকর্মীদের শেষ আশ্রয়স্থল: গভীর রাতে নিজ পরিবারের নিরাপত্তার কথা চিন্তা না করে গ্রেফতার হওয়া নেতাকর্মীদের আইনি সহায়তা নিশ্চিত করা, থানার দোরগোড়ায় দৌড়ঝাঁপ করা কিংবা কারাবন্দী কর্মীদের পরিবারের পাশে দাঁড়ানোই ছিল তাঁর রাজনৈতিক দায়িত্ববোধ।অপরাজনীতি ও বিশৃঙ্খলার বিরুদ্ধে সোচ্চার তিনি সবসময় দলীয় শৃঙ্খলা ও স্বচ্ছ রাজনীতির পক্ষে অবস্থান নিয়েছেন। অপকর্ম, চাঁদাবাজি ও দখলদারিত্বমুক্ত রাজনৈতিক সংস্কৃতির সমর্থনে তাঁর স্পষ্ট বক্তব্য সহযোদ্ধাদের মধ্যে সুশাসন ও আদর্শের চর্চাকে ত্বরান্বিত করেছে।
নতুন দিগন্তে ঐক্যবদ্ধ সাংগঠনিক অগ্রযাত্রা
বর্তমানে নীলফামারী জেলা বিএনপির অভিভাবক, বিশিষ্ট সংগঠক ইঞ্জিনিয়ার শাহরিন ইসলাম চৌধুরী তুহিনের গতিশীল ও দূরদর্শী নেতৃত্বের ছায়াতলে নীলফামারী জেলা বিএনপি এক নতুন রাজনৈতিক প্রাণচাঞ্চল্য লাভ করেছে। সেই ধারায় ময়নুল ইসলাম জেলা আহ্বায়ক কমিটির সদস্য হিসেবে জলঢাকা বিএনপিকে আরও শৃঙ্খলিত, আধুনিক ও শক্তিশালী রূপে গড়ে তুলতে নিরলস শ্রম দিয়ে যাচ্ছেন।
তৃণমূলের যেসব ত্যাগী কর্মী দীর্ঘ রাজপথের লড়াইয়ে জেল-জুলুম সহ্য করেছেন, তাঁদের উপযুক্ত মূল্যায়ন নিশ্চিত করাই এখন তাঁর মূল লক্ষ্য। বিএনপির চেয়ারম্যান মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের দেওয়া প্রতিশ্রুতি ও আদর্শ বাস্তবায়নের অঙ্গীকার নিয়ে তিনি মাঠে-ময়দানে, গ্রামীণ জনপদের মেঠো পথে সাধারণ মানুষের দ্বারে দ্বারে ঘুরে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রক্ষা করে চলছেন। রাজপথের এই বীর সেনানী আগামী দিনে জলঢাকা বিএনপিকে আরও ঐক্যবদ্ধ করে বিজয়ের দ্বারে পৌঁছে দেবেন—এমনটাই প্রত্যাশা স্থানীয় জাতীয়তাবাদী জনতার।




















