ঢাকা ০৪:৪৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬, ১ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
জলঢাকায় প্রধানমন্ত্রীর বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন ও ১৩৩ পরিবারে ঈদ উপহার বিতরণ তারাকান্দা রামপুর খালের ধারে বিভিন্ন প্রজাতির গাছ লাগানোর মাধ্যমে জেলা প্রশাসক কর্তৃক বৃক্ষরোপণ উদ্বোধন ময়মনসিংহে তিনদিনব্যাপী সাংবাদিক কর্মশালার উদ্ভোধন অনুষ্ঠিত শাহ আরেফিন সড়কে বালুবাহী গাড়ির দৌরাত্ম্য, আতঙ্কে এলাকাবাসী মসিকের নতুন বাজারে ফুটপাত দখল মুক্ত করতে উচ্ছেদ অভিযান ২ প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা সামাজিক সচেতনতা ও আইন বিষয়ক প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত আইনি সেবা দোরগোড়ায় জলঢাকায় গ্রাম আদালতের সচেতনতা বৃদ্ধিমূলক বার্ষিক ক্যাম্পেইন যুবসমাজকে রক্ষায় বাদাঘাট ইউনিয়নে মাদকবিরোধী অভিযান জোরদার ময়মনসিংহ জেলা পুলিশের মাসিক কল্যাণ সভা ও অপরাধ অনুষ্ঠিত সভায় পুরস্কার বিতরণ রামপালে বিশ্ব পরিবেশ দিবস ২০২৬ পালিত, বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত

চুক্তি ভিত্তিক সরকার অর্থের বিনিময়ে নিয়োগ – প্রমোশন, ইষ্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির আদলে হয় বাজেট… অথই নূরুল আমিন

স্টাফ রিপোর্টার
  • আপডেট সময় : ১০:০৮:০৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৯ জুন ২০২৬ ১৭৩ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

স্টাফ রিপোর্টার

সেদিন লর্ড ক্লাইভ, যে চুক্তি করে মীরজাফরকে নবাব বানিয়েছিল। সেই চুক্তি পূরণ করতে যখন মীরজাফর ব‍্যর্থ হলো অর্থাৎ চুক্তির টাকা সময় মতো পরিশোধ করতে যখন ব‍্যর্থ হলো । তখন লর্ড ক্লাইভ মীরজাফরকে সরিয়ে দিয়ে, মীর কাশিম আলীকে নবাব বানায় লর্ড ক্লাইভ। ( মু র্খ রা তো ইতিহাস ও জানে না ঠিক মতো ) মীর কাশিম আলী যখন আরো ব‍্যর্থ হলো, তখন আবার বৃদ্ধ বয়সে সেই মীরজাফরকেই আবার নবাব বানানো হয়। এককথায় লর্ড ক্লাইভের কাছে গোটা ভারতবর্ষের তৎকালীন জনগণ ছিলো যেন নাবালক বাচ্চা। সকলের হাতে চকলেট ধরিয়ে দিয়েছে আর স্বর্ণ গহনা ইংরেজরা খুলে খুলে নিয়েছে। আর বাঙালি চেয়ে চেয়ে দেখছিল কেউ কেউ হাসছিল । তৎকালীন ধনী শ্রেণির লোকেরা লর্ড ক্লাইভকে সমর্থন দিয়ে যাচ্ছিল। আর গরিব শ্রেণির জনগণ ইংরেজদের সরাসরি গোলামী করতে লেগে গিয়েছিল।এখনো সাবেক ভারতবর্ষ লন্ডনের কাছেই জিম্মি রয়েছে। কিন্তু কেউ জানে না। আবার অনেকেই জানে কিন্তু তারা দোষারোপ করছে ভারতকে। অনেকেই জানে কিন্তু ওরা দোষারোপ করছে পাকিস্তান ও আমেরিকাকে। ব‍্যরিষ্টার ফুয়াদ থেকে শুরু করে আমার দেশ পত্রিকার সম্পাদক মাহমুদুর রহমান, শফিকুর রেহমান এবং জামায়াত – এনসিপির অনেকেই জানে বিএনপি ক্ষমতায় এসেছে ব্রিটিশ টোব্যাকো কোম্পানির অর্থায়নে এবং মদদে । এখানে জড়িত আছে, আমেরিকা, ভারত,পাকিস্তান, চীন ও মালয়েশিয়ার একটি বাঙালি এলিট চক্র। যারা আওয়ামী লীগ আমলেই বেশি পয়সার মালিক। তবে এস আলম গ্রুপ সরাসরি জড়িত রয়েছে। আওয়ামী লীগ সরকার পতনের পিছনে এবং বিএনপিকে ক্ষমতায় বসানোর সামনে।তবে বিশ্বাস করতে হবে, তারেক রহমান বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী। এটা কিন্তু মীর কাশিম আলীর ফটোকপি মাত্র। শেখ হাসিনাকে যারা সরিয়ে দিতে সহযোগিতা করেছে। তারাই চুক্তির মাধ‍্যমে তারেক রহমানকে ক্ষমতায় বসিয়েছে। লর্ড ক্লাইডের ধিক্কা ও শিক্ষা নেয়া কৌশলগুলো এখানে ব‍্যবহার করা হচ্ছে। আমি পূর্বেও বলেছি, সেদিনের ইষ্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির নাম পরিবর্তন করে আজকে ওটার নাম ডিপ স্টেট হয়েছে। ভারতের বিজেপি যে ক্ষমতায় আছে। তারাও কিন্তু ডিপ স্টেট ধারা পরিচালিত সরকার । এমনকি সয়ং ডোনাল্ড ট্রাম্পের সরকার ও কিন্তু ডিপ স্টেট ধারা পরিচালিত।আমার আরো লেখায় বলেছি, এরকম চুক্তি ভিত্তিক সরকার বিশ্বের অনেক দেশেই রয়েছে। তবে বাংলাদেশের অবস্থা নাজেহাল করেছেন সবচেয়ে বেশি শেখ হাসিনা। কারণ শেখ হাসিনা ওয়ান ইলেভেনের সময় যে চুক্তি করে তিনি ক্ষমতায় এসেছিলেন । সেই চুক্তির বাহিরেও ভারতের সাথে একটা আলাদা চুক্তির মাধ‍্যমে দীর্ঘদিন ক্ষমতায় ছিল আওয়ামী লীগ। যার ফলে দেশের সকল পণ্যের মূল‍্য যেমন বৃদ্ধি পেয়েছে। তেমনি দেশে বেকার বেড়েছে সীমাহীন। যার ফলে বিএনপি সরকারের তিন মাস পেরিয়ে গেলেও দেশের কোনো আগাগোড়া খোঁজে পাচ্ছে জনগণের কল‍্যাণ করার মতো বতর্মান বিএনপি সরকার।এদিকে বিএনপি এবং জামায়াত দীর্ঘদিন একই সাথে জোট বেধে থাকার ফলে। বিএনপি কিন্তু জামায়াতের অনেক দুর্বলতার খবর জানে। তাই জামায়াত খুব সহজে বিএনপি পতনের ডাক দিতে যাবে না। এখানে আরেকটি বড় কারণ হলো। দেশের যত জনগণ এই দল দুটি করে আসছে। তারা প্রায় আশিভাগই একই পরিবারের লোকজন। যেমন বিএনপি নেতার বাবা নতুবা শশুর যে কেউ একজন জামায়াত করে। নতুবা দুইজনেই জামায়াত করে নতুবা নেতার বড়ো ভাই জামায়াত করে নতুবা ছোট ভাই শিবিরের সক্রিয় নেতা বা কর্মী। আরেকটি বড়ো ব‍্যাপার হলো মতের মিল। যেমন বিএনপি এবং জামায়াত দুটি দলই কিন্তু শেখ মুজিব বিরোধী বা আওয়ামী লীগ বিরোধী। এই মতের মিলের জন‍্য হলেও বিএনপি পতনের ডাক খুব সহজে জামায়াত দিতে যাবে না।পর্ব ( ২) ডিপ স্টেট পরিচালিত সরকার গুলোর আমলে সরকারি চাকরি নিতে গেলে ঘুষ লাগবেই। তাছাড়া প্রমোশন বা বদলি। এছাড়াও রয়েছে বিভিন্ন দপ্তরে অধিদপ্তরে পরিচালক নিয়োগ মহাপরিচালক নিয়োগ দশ লাখ থেকে পঞ্চাশ লাখ, এক কোটি থেকে পঞ্চাশ কোটি পর্যন্ত। লাভ জনক প্রতিষ্ঠান গুলোতে। ঐ টাকার একটা অংশও ডিপ স্টেট এজেন্টরা নিয়ে নেয়।এদিকে বিএনপি সরকার প্রায় দশ লাখ কোটি টাকার বাজেট করতে যাচ্ছে। এই বাজেট ইউনুস সরকারের আমলে ছিলো আট লাখ কোটি টাকার সমান। যার কোনো হদিস নেই। কাজ নেই দেশের। একই বাজেট আওয়ামী লীগ সরকারের সময় ছিল সাত লাখ টাকার নীচে। দেশের প্রতিটা বাজেট প্রায় একই নিয়মে হয়। সিগারেট থেকে শুরু করে প্রায় সকল পণ্যের মূল্য বৃদ্ধি হয়। তাহলে ঘনঘন সরকার বদলে জনগণের লাভ কি? কোন লাভ নেই। হাতে হারিকেন তলদেশে বাঁশ।

অথই নূরুল আমিন
রাজনৈতিক বিশ্লেষক কলাম লেখক ও রাষ্ট্রচিন্তক
প্রধান মুখপাত্র জাতীয় মানবসম্পদ উইং
প্রধানমন্ত্রীর মানবসম্পদ উন্নয়ন উপদেষ্টা গ্রন্থ লেখক।
৯ জুন ২০২৬

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

চুক্তি ভিত্তিক সরকার অর্থের বিনিময়ে নিয়োগ – প্রমোশন, ইষ্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির আদলে হয় বাজেট… অথই নূরুল আমিন

আপডেট সময় : ১০:০৮:০৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৯ জুন ২০২৬

স্টাফ রিপোর্টার

সেদিন লর্ড ক্লাইভ, যে চুক্তি করে মীরজাফরকে নবাব বানিয়েছিল। সেই চুক্তি পূরণ করতে যখন মীরজাফর ব‍্যর্থ হলো অর্থাৎ চুক্তির টাকা সময় মতো পরিশোধ করতে যখন ব‍্যর্থ হলো । তখন লর্ড ক্লাইভ মীরজাফরকে সরিয়ে দিয়ে, মীর কাশিম আলীকে নবাব বানায় লর্ড ক্লাইভ। ( মু র্খ রা তো ইতিহাস ও জানে না ঠিক মতো ) মীর কাশিম আলী যখন আরো ব‍্যর্থ হলো, তখন আবার বৃদ্ধ বয়সে সেই মীরজাফরকেই আবার নবাব বানানো হয়। এককথায় লর্ড ক্লাইভের কাছে গোটা ভারতবর্ষের তৎকালীন জনগণ ছিলো যেন নাবালক বাচ্চা। সকলের হাতে চকলেট ধরিয়ে দিয়েছে আর স্বর্ণ গহনা ইংরেজরা খুলে খুলে নিয়েছে। আর বাঙালি চেয়ে চেয়ে দেখছিল কেউ কেউ হাসছিল । তৎকালীন ধনী শ্রেণির লোকেরা লর্ড ক্লাইভকে সমর্থন দিয়ে যাচ্ছিল। আর গরিব শ্রেণির জনগণ ইংরেজদের সরাসরি গোলামী করতে লেগে গিয়েছিল।এখনো সাবেক ভারতবর্ষ লন্ডনের কাছেই জিম্মি রয়েছে। কিন্তু কেউ জানে না। আবার অনেকেই জানে কিন্তু তারা দোষারোপ করছে ভারতকে। অনেকেই জানে কিন্তু ওরা দোষারোপ করছে পাকিস্তান ও আমেরিকাকে। ব‍্যরিষ্টার ফুয়াদ থেকে শুরু করে আমার দেশ পত্রিকার সম্পাদক মাহমুদুর রহমান, শফিকুর রেহমান এবং জামায়াত – এনসিপির অনেকেই জানে বিএনপি ক্ষমতায় এসেছে ব্রিটিশ টোব্যাকো কোম্পানির অর্থায়নে এবং মদদে । এখানে জড়িত আছে, আমেরিকা, ভারত,পাকিস্তান, চীন ও মালয়েশিয়ার একটি বাঙালি এলিট চক্র। যারা আওয়ামী লীগ আমলেই বেশি পয়সার মালিক। তবে এস আলম গ্রুপ সরাসরি জড়িত রয়েছে। আওয়ামী লীগ সরকার পতনের পিছনে এবং বিএনপিকে ক্ষমতায় বসানোর সামনে।তবে বিশ্বাস করতে হবে, তারেক রহমান বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী। এটা কিন্তু মীর কাশিম আলীর ফটোকপি মাত্র। শেখ হাসিনাকে যারা সরিয়ে দিতে সহযোগিতা করেছে। তারাই চুক্তির মাধ‍্যমে তারেক রহমানকে ক্ষমতায় বসিয়েছে। লর্ড ক্লাইডের ধিক্কা ও শিক্ষা নেয়া কৌশলগুলো এখানে ব‍্যবহার করা হচ্ছে। আমি পূর্বেও বলেছি, সেদিনের ইষ্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির নাম পরিবর্তন করে আজকে ওটার নাম ডিপ স্টেট হয়েছে। ভারতের বিজেপি যে ক্ষমতায় আছে। তারাও কিন্তু ডিপ স্টেট ধারা পরিচালিত সরকার । এমনকি সয়ং ডোনাল্ড ট্রাম্পের সরকার ও কিন্তু ডিপ স্টেট ধারা পরিচালিত।আমার আরো লেখায় বলেছি, এরকম চুক্তি ভিত্তিক সরকার বিশ্বের অনেক দেশেই রয়েছে। তবে বাংলাদেশের অবস্থা নাজেহাল করেছেন সবচেয়ে বেশি শেখ হাসিনা। কারণ শেখ হাসিনা ওয়ান ইলেভেনের সময় যে চুক্তি করে তিনি ক্ষমতায় এসেছিলেন । সেই চুক্তির বাহিরেও ভারতের সাথে একটা আলাদা চুক্তির মাধ‍্যমে দীর্ঘদিন ক্ষমতায় ছিল আওয়ামী লীগ। যার ফলে দেশের সকল পণ্যের মূল‍্য যেমন বৃদ্ধি পেয়েছে। তেমনি দেশে বেকার বেড়েছে সীমাহীন। যার ফলে বিএনপি সরকারের তিন মাস পেরিয়ে গেলেও দেশের কোনো আগাগোড়া খোঁজে পাচ্ছে জনগণের কল‍্যাণ করার মতো বতর্মান বিএনপি সরকার।এদিকে বিএনপি এবং জামায়াত দীর্ঘদিন একই সাথে জোট বেধে থাকার ফলে। বিএনপি কিন্তু জামায়াতের অনেক দুর্বলতার খবর জানে। তাই জামায়াত খুব সহজে বিএনপি পতনের ডাক দিতে যাবে না। এখানে আরেকটি বড় কারণ হলো। দেশের যত জনগণ এই দল দুটি করে আসছে। তারা প্রায় আশিভাগই একই পরিবারের লোকজন। যেমন বিএনপি নেতার বাবা নতুবা শশুর যে কেউ একজন জামায়াত করে। নতুবা দুইজনেই জামায়াত করে নতুবা নেতার বড়ো ভাই জামায়াত করে নতুবা ছোট ভাই শিবিরের সক্রিয় নেতা বা কর্মী। আরেকটি বড়ো ব‍্যাপার হলো মতের মিল। যেমন বিএনপি এবং জামায়াত দুটি দলই কিন্তু শেখ মুজিব বিরোধী বা আওয়ামী লীগ বিরোধী। এই মতের মিলের জন‍্য হলেও বিএনপি পতনের ডাক খুব সহজে জামায়াত দিতে যাবে না।পর্ব ( ২) ডিপ স্টেট পরিচালিত সরকার গুলোর আমলে সরকারি চাকরি নিতে গেলে ঘুষ লাগবেই। তাছাড়া প্রমোশন বা বদলি। এছাড়াও রয়েছে বিভিন্ন দপ্তরে অধিদপ্তরে পরিচালক নিয়োগ মহাপরিচালক নিয়োগ দশ লাখ থেকে পঞ্চাশ লাখ, এক কোটি থেকে পঞ্চাশ কোটি পর্যন্ত। লাভ জনক প্রতিষ্ঠান গুলোতে। ঐ টাকার একটা অংশও ডিপ স্টেট এজেন্টরা নিয়ে নেয়।এদিকে বিএনপি সরকার প্রায় দশ লাখ কোটি টাকার বাজেট করতে যাচ্ছে। এই বাজেট ইউনুস সরকারের আমলে ছিলো আট লাখ কোটি টাকার সমান। যার কোনো হদিস নেই। কাজ নেই দেশের। একই বাজেট আওয়ামী লীগ সরকারের সময় ছিল সাত লাখ টাকার নীচে। দেশের প্রতিটা বাজেট প্রায় একই নিয়মে হয়। সিগারেট থেকে শুরু করে প্রায় সকল পণ্যের মূল্য বৃদ্ধি হয়। তাহলে ঘনঘন সরকার বদলে জনগণের লাভ কি? কোন লাভ নেই। হাতে হারিকেন তলদেশে বাঁশ।

অথই নূরুল আমিন
রাজনৈতিক বিশ্লেষক কলাম লেখক ও রাষ্ট্রচিন্তক
প্রধান মুখপাত্র জাতীয় মানবসম্পদ উইং
প্রধানমন্ত্রীর মানবসম্পদ উন্নয়ন উপদেষ্টা গ্রন্থ লেখক।
৯ জুন ২০২৬