ঢাকা ০৪:৪৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬, ১ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
জলঢাকায় প্রধানমন্ত্রীর বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন ও ১৩৩ পরিবারে ঈদ উপহার বিতরণ তারাকান্দা রামপুর খালের ধারে বিভিন্ন প্রজাতির গাছ লাগানোর মাধ্যমে জেলা প্রশাসক কর্তৃক বৃক্ষরোপণ উদ্বোধন ময়মনসিংহে তিনদিনব্যাপী সাংবাদিক কর্মশালার উদ্ভোধন অনুষ্ঠিত শাহ আরেফিন সড়কে বালুবাহী গাড়ির দৌরাত্ম্য, আতঙ্কে এলাকাবাসী মসিকের নতুন বাজারে ফুটপাত দখল মুক্ত করতে উচ্ছেদ অভিযান ২ প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা সামাজিক সচেতনতা ও আইন বিষয়ক প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত আইনি সেবা দোরগোড়ায় জলঢাকায় গ্রাম আদালতের সচেতনতা বৃদ্ধিমূলক বার্ষিক ক্যাম্পেইন যুবসমাজকে রক্ষায় বাদাঘাট ইউনিয়নে মাদকবিরোধী অভিযান জোরদার ময়মনসিংহ জেলা পুলিশের মাসিক কল্যাণ সভা ও অপরাধ অনুষ্ঠিত সভায় পুরস্কার বিতরণ রামপালে বিশ্ব পরিবেশ দিবস ২০২৬ পালিত, বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত

শিমুল বাগানের পাশে শুকনো নদীতে খেয়া নৌকা, প্রশ্নের মুখে ভাড়া আদায়

আমির হোসেন, স্টাফ রিপোর্টার
  • আপডেট সময় : ০৫:০৬:৪৩ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৪ জুন ২০২৬ ৫১ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

আমির হোসেন, স্টাফ রিপোর্টার
সুনামগঞ্জের তাহিরপুর উপজেলার পর্যটন আকর্ষণ শিমুল বাগান সংলগ্ন মাহারাম নদীর মুখে নির্মাণাধীন সেতুকে কেন্দ্র করে দেখা দিয়েছে ভিন্নধর্মী এক পরিস্থিতি। নদীতে পানি না থাকলেও একটি খেয়া নৌকার মাধ্যমে পথচারী ও মোটরসাইকেল আরোহীদের পারাপার করানো হচ্ছে এবং এর বিনিময়ে ভাড়া আদায়ের অভিযোগ উঠেছে। বিষয়টি নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভের পাশাপাশি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে।স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শিমুল বাগানের পাশ দিয়ে প্রবাহিত মাহারাম নদীর মুখে বর্তমানে একটি সেতুর নির্মাণকাজ চলমান রয়েছে।নির্মাণকাজের কারণে স্বাভাবিক যাতায়াতের পথ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় বিকল্প হিসেবে একটি নৌকা রাখা হয়েছে। তবে বর্তমানে নদীতে উল্লেখযোগ্য পানি না থাকায় অনেকেই প্রশ্ন তুলছেন, এমন পরিস্থিতিতে নৌকার মাধ্যমে পারাপার এবং তার জন্য ভাড়া আদায়ের যৌক্তিকতা নিয়ে।সরেজমিনে দেখা গেছে, নদীর বেশিরভাগ অংশ শুকনো অথবা অল্প পানিযুক্ত। এরপরও পথচারী ও মোটরসাইকেল আরোহীদের নৌকার সাহায্যে পারাপার করা হচ্ছে।স্থানীয়দের অভিযোগ, যাতায়াতের বিকল্প ব্যবস্থা না থাকায় অনেকেই বাধ্য হয়ে এই সেবা গ্রহণ করছেন।এলাকাবাসীর দাবি, সেতু নির্মাণকালীন সময়ে জনগণের চলাচলের সুবিধার্থে অস্থায়ী বিকল্প রাস্তা বা সেতুর ব্যবস্থা করা প্রয়োজন ছিল। পাশাপাশি ভাড়া আদায়ের বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ারও আহ্বান জানিয়েছেন তারা।এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বক্তব্য পাওয়া না গেলেও ঘটনাটি এলাকায় ব্যাপক কৌতূহল ও আলোচনার জন্ম দিয়েছে। স্থানীয়দের আশা, দ্রুত বিষয়টি খতিয়ে দেখে জনদুর্ভোগ নিরসনে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

শিমুল বাগানের পাশে শুকনো নদীতে খেয়া নৌকা, প্রশ্নের মুখে ভাড়া আদায়

আপডেট সময় : ০৫:০৬:৪৩ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৪ জুন ২০২৬

আমির হোসেন, স্টাফ রিপোর্টার
সুনামগঞ্জের তাহিরপুর উপজেলার পর্যটন আকর্ষণ শিমুল বাগান সংলগ্ন মাহারাম নদীর মুখে নির্মাণাধীন সেতুকে কেন্দ্র করে দেখা দিয়েছে ভিন্নধর্মী এক পরিস্থিতি। নদীতে পানি না থাকলেও একটি খেয়া নৌকার মাধ্যমে পথচারী ও মোটরসাইকেল আরোহীদের পারাপার করানো হচ্ছে এবং এর বিনিময়ে ভাড়া আদায়ের অভিযোগ উঠেছে। বিষয়টি নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভের পাশাপাশি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে।স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শিমুল বাগানের পাশ দিয়ে প্রবাহিত মাহারাম নদীর মুখে বর্তমানে একটি সেতুর নির্মাণকাজ চলমান রয়েছে।নির্মাণকাজের কারণে স্বাভাবিক যাতায়াতের পথ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় বিকল্প হিসেবে একটি নৌকা রাখা হয়েছে। তবে বর্তমানে নদীতে উল্লেখযোগ্য পানি না থাকায় অনেকেই প্রশ্ন তুলছেন, এমন পরিস্থিতিতে নৌকার মাধ্যমে পারাপার এবং তার জন্য ভাড়া আদায়ের যৌক্তিকতা নিয়ে।সরেজমিনে দেখা গেছে, নদীর বেশিরভাগ অংশ শুকনো অথবা অল্প পানিযুক্ত। এরপরও পথচারী ও মোটরসাইকেল আরোহীদের নৌকার সাহায্যে পারাপার করা হচ্ছে।স্থানীয়দের অভিযোগ, যাতায়াতের বিকল্প ব্যবস্থা না থাকায় অনেকেই বাধ্য হয়ে এই সেবা গ্রহণ করছেন।এলাকাবাসীর দাবি, সেতু নির্মাণকালীন সময়ে জনগণের চলাচলের সুবিধার্থে অস্থায়ী বিকল্প রাস্তা বা সেতুর ব্যবস্থা করা প্রয়োজন ছিল। পাশাপাশি ভাড়া আদায়ের বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ারও আহ্বান জানিয়েছেন তারা।এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বক্তব্য পাওয়া না গেলেও ঘটনাটি এলাকায় ব্যাপক কৌতূহল ও আলোচনার জন্ম দিয়েছে। স্থানীয়দের আশা, দ্রুত বিষয়টি খতিয়ে দেখে জনদুর্ভোগ নিরসনে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হবে।