জনগণের অর্থ লুট ও পাচার করাই আওয়ামী লীগের কাজ ছিল: রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর
- আপডেট সময় : ১১:৫৬:৪৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৮ অগাস্ট ২০২৬ ১৯ বার পড়া হয়েছে

মো: তুহিন মন্ডল রাজবাড়ী প্রতিনিধি
আওয়ামী লীগ দীর্ঘ ১৭ বছর ধরে জনগণের অর্থ লুটপাট ও পাচার করেছে। একই সঙ্গে স্বাস্থ্য ও শিক্ষা খাতকে ধ্বংস করে গেছে, যার খেসারত এখন দেশের মানুষকে দিতে হচ্ছে—এমন মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা ডা. রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর।
শনিবার (৮ আগস্ট) দুপুর সাড়ে ১টার দিকে রাজবাড়ীর পাংশা উপজেলা পরিষদের সম্মেলন কক্ষে বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে স্কুল বেঞ্চ, লাইট, ফ্যান, ক্রীড়া সামগ্রী, বাদ্যযন্ত্র ও স্যানিটারি ন্যাপকিন বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
ডা. রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর বলেন, “অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের মধ্য দিয়ে জনগণের ভোটে আমরা ক্ষমতায় এসেছি। জনগণের অর্থ বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে তাদের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে আমরা কাজ করছি। পতিত সরকার সমাজব্যবস্থাকে অচল করে গেছে, সংস্কৃতিকে বিলুপ্ত করেছে এবং শিক্ষা খাতের মেরুদণ্ড ভেঙে দিয়েছে। আমরা সেখান থেকে উত্তরণের জন্য কাজ করছি।”
তিনি বলেন, “পতিত সরকার শুধু অর্থ পাচার করেই ক্ষান্ত হয়নি, ভবিষ্যৎ প্রজন্ম যাতে মাথা উঁচু করে দাঁড়াতে না পারে, সে জন্য শিক্ষা খাতকে ধ্বংস করেছে। তারা কিছু অবকাঠামো ও ভবন রেখে গেলেও শিক্ষার মূল কাঠামো দুর্বল করে গেছে। যুবসমাজকে মাদকের দিকে ঠেলে দিয়েছে। একটি জাতিকে পরিকল্পিতভাবে দুর্বল করার জন্য যা যা করা দরকার, তারা তা করেছে।”
তিনি আরও বলেন, “পতিত সরকার বাংলার মানুষের স্বাধীনতা হরণ করেছে এবং তাদের অধিকারকে পিষ্ট করেছে। রাষ্ট্রযন্ত্রকে অপব্যবহারের মাধ্যমে এসব করা হয়েছে। অথচ রাষ্ট্র হওয়ার কথা ছিল নাগরিকদের। তারা মাদকাসক্ত, বেকার ও নানা সংকটে জর্জরিত একটি যুবসমাজ রেখে গেছে।”
শিক্ষা খাতের উন্নয়নের বিষয়ে অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা বলেন, “প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী ধাপে ধাপে শিক্ষাখাতে মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) ৫ শতাংশ ব্যয় করা হবে। পাশাপাশি স্বাস্থ্য খাতের উন্নয়নেও সরকার কাজ করছে।”
রাজবাড়ী জেলা প্রশাসক আফরোজা পারভীনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন রাজবাড়ী-২ আসনের সংসদ সদস্য মো. হারুন-অর-রশিদ ও পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মনজুর মোরশেদ। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন পাংশা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. রিফাতুল হক।
এ সময় জেলা পরিষদের প্রশাসক মো. আব্দুস সালাম মিয়াসহ উপজেলার বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-শিক্ষিকা ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।




















